‘বিশ্ববিদ্যালয় শুধু তার অবস্থানই সুদৃঢ় করে না, বরং শিক্ষা, গবেষণা, উদ্ভাবন এবং সামাজিক দায়বদ্ধতার ক্ষেত্রেও উৎকর্ষ অর্জন করে’

প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাস্যুরেন্স সেল (আইকিউএসি)-এর উদ্যোগে ‘দি কিউএস র‌্যাংকিংস অ্যান্ড বিএসি অ্যাক্রেডিটেশন: ইন্টিগ্রেটিং সাসটেইনেবিলিটি অ্যাজ আ টাইমলি নিড’ শীর্ষক একটি সেমিনার সোমবার (০৬ জুলাই) বিকেল ৩.০০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জিইসি মোড়স্থ ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হয়|

সেমিনারে রিসোর্স পারসন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজি (বিইউবিটি)-এর অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক এবং প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মাহবুব আলী (পোস্ট-ডক্টরেট)| প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক এস. এম. নছরুল কদির| বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ট্রেজারার অধ্যাপক ড. জাহেদ হোছাইন সিকদার এবং রেজিস্ট্রার জনাব মোহাম্মদ ইফতেখার মনির|

সেমিনারটি সঞ্চালনা করেন আইকিউএসি-প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির অতিরিক্ত পরিচালক (কিউএ) জনাব তানজিনা আলম চৌধুরী| এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স অফিসের ডিরেক্টর জনাব সাদাত জামান খান, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর জনাব মোহাম্মদ সোলাইমান চৌধুরী ও আইকিউএসি-প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির অতিরিক্ত পরিচালক (ইটিএল) জনাব গাজী শাহাদাৎ হোসেন| এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন একাডেমিক বিভাগের চেয়ারম্যান, কো-অর্ডিনেটর এবং প্রশাসনিক কর্মকর্তারা সেমিনারে অংশগ্রহণ করেন|

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক এস. এম. নছরুল কদির বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থায় আন্তর্জাতিক মান, গুণগত শিক্ষা এবং টেকসই উন্নয়ন একে অপরের পরিপূরক| কিউএস র‌্যাংকিংস এবং বিএসি অ্যাক্রেডিটেশন-এর মানদণ্ড বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি বিশ্ববিদ্যালয় শুধু তার অবস্থানই সুদৃঢ় করে না, বরং শিক্ষা, গবেষণা, উদ্ভাবন এবং সামাজিক দায়বদ্ধতার ক্ষেত্রেও উৎকর্ষ অর্জন করে| প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটি গুণগত মান নিশ্চিতকরণ, আন্তর্জাতিকীকরণ এবং সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট গোলস (এসডিজিস) বাস্তবায়নে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে| এ ধরনের সেমিনার শিক্ষক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করবে|
রিসোর্স পারসন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মাহবুব আলী তাঁর উপস্থাপনায় কিউএস র‌্যাংকিংস এবং বিএসি অ্যাক্রেডিটেশন-এর বিভিন্ন সূচক, গুণগত শিক্ষা নিশ্চিতকরণে সাসটেইনেবিলিটি-এর গুরুত্ব, গবেষণার মানোন্নয়ন, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সংযোগ এবং প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসনের ওপর আলোকপাত করেন| তিনি বলেন, সাসটেইনেবিলিটি এখন আর কেবল একটি ধারণা নয়; এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা, প্রশাসন ও সামাজিক সম্পৃক্ততার অবিচ্ছেদ্য অংশ| আন্তর্জাতিক র‌্যাংকিংয়ে অগ্রগতি অর্জন এবং সফল অ্যাক্রেডিটেশন লাভের জন্য তথ্যভিত্তিক পরিকল্পনা, মানসম্মত গবেষণা, দক্ষ মানবসম্পদ এবং ধারাবাহিক মানোন্নয়ন সংস্কৃতি গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি| বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি অংশীজনের সমন্বিত প্রচেষ্টাই একটি প্রতিষ্ঠানের আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি করতে পারে|

সেমিনারে অংশগ্রহণকারীরা কিউএস র‌্যাংকিংস ও বিএসি অ্যাক্রেডিটেশন-এর বিভিন্ন মানদণ্ড, টেকসই উন্নয়ন কৌশল এবং প্রাতিষ্ঠানিক গুণগত মানোন্নয়ন বিষয়ে মতবিনিময় করেন| প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশগ্রহণকারীদের বিভিন্ন জিজ্ঞাসার উত্তর দেন রিসোর্স পারসন|