জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আমীর আনোয়ারুল আলম চৌধুরী বলেছেন, ন্যায় ও ইনসাফের বাংলাদেশ গড়তে মানুষ বন্দুকের মুখে বুক পেতে দিয়েছিল। হাজারো জুলুম ও নির্যাতনের শিকার হয়েও ফ্যাসিবাদকে মেনে নেয়নি। জীবন বাজি রেখে ছাত্র জনতা ২০২৪ সালের পুরো জুলাই সরকারের সাথে মোকাবেলা করে ৫ আগস্ট তথা ৩৬ জুলাই সরকারের পতন ঘটিয়েছিল। ফ্যাসিবাদী সরকারের দোসর ব্যতীত সকল দল মত ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ গঠন করতে চেয়েছিল। কিন্তু নির্বাচনের পর সরকার জুলাই চেতনার বিপরীতে হেঁটে জনগণের সাথে প্রতারণা করছে। নতুন করে ফ্যাসিবাদ কায়েম করার ঘৃণ্য চক্রান্ত করছে। জুলাই সনদ ব্যতীত সাধারণ মানুষের শান্তি ফিরবে না। গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নের মাধ্যমে জুলাই সনদকে কার্যকর করতে সরকারকে বাধ্য করা হবে, ইনশাআল্লাহ। এলক্ষ্যে কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচী হিসেবে আগামী ৪ জুলাই চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে কর্ণফুলী উপজেলার কলেজবাজারে বিক্ষোভ সমাবেশ ও গণমিছিল অনুষ্ঠিত হবে।
বুধবার (০১ জুলাই) নগরীর বিআইএ মিলনায়তনে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে ১১ দলীয় ঐক্যের মতবিনিময় সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মাওলানা বদরুল হক এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় আরও বক্তব্য রাখেন জাতীয় নাগরিক পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য জোবাইরুল আলম মানিক, খেলাফত মজলিসের ভারপ্রাপ্ত জেলা সভাপতি মাওলানা হুমায়ুন আজাদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের জেলা সহ সভাপতি মাওলানা নেছার উদ্দীন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জামায়াতের এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মুহাম্মদ জাকারিয়া, জেলা এনসিপি’র মোঃ সাজ্জাদ হোসেন, এবি পার্টির জাবেদ হোসাইন, জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা আবুল ফয়েজ, মাওলানা আরিফুর রশিদ, আ ক ম ফরিদুল আলম, জেলা জাগপা নেতা খোরশেদ আলম সহ ১১ দলীয় ঐক্যের জেলা নেতৃবৃন্দ।












