ব্যাঙছড়ি গার্ডার ব্রিজের নির্মাণ কাজ শুরু

দীর্ঘদিনের কষ্ট লাঘব হবে ২শ’ পরিবারের

নজরুল ইসলাম লাভলু, কাপ্তাই:
কাপ্তাই উপজেলাধীন ব্যাঙছড়ি এলাকার কবলাছড়িতে গার্ডার ব্রীজ নির্মাণ কাজ শুরু করা হয়েছে।ব্রীজটি নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হলে এলাকার প্রায় ২শ’ পরিবারের দীর্ঘদিনের কষ্ট দূর হবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, কাপ্তাই ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের একটি অংশ ব্যাঙছড়ি মারমা পাড়া। কাপ্তাই সড়ক থেকে প্রায় এক কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত মারমা পাড়ায় ২শ’ পরিবারের বসবাস। উপজেলা সদরের সাথে যোগাযোগের একমাত্র পথ কাঁচা সড়ক। সড়কের কবলাছড়ার মুখের জরাজীর্ণ ব্রীজটি এলাকাবাসীর দুঃখ হয়ে আছে বছরের পর বছর ধরে। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে অতি বর্ষণে ব্রীজটি পানিতে তলিয়ে যায়। তখন বন্ধ হয়ে যায় যান চলাচল। ঝুঁকি নিয়ে জনসাধারণকে পায়ে হেঁটে চলাচল করতে হয়। এমতাবস্থায় এগিয়ে আসে কাপ্তাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী আব্দুল লতিফ। তিনি রাঙামাটির সাংসদ দীপংকর তালুকদারের পরামর্শে স্থানীয় সরকার ও প্রকৌশল অধিদপ্তরের উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করেন এবং ব্রিজ নির্মানের অনুমতি আদায় করেন।
গত সোমবার (১৫ জুন) কাপ্তাই উপজেলা স্থানীয় সরকার ও প্রকৌশল অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে ওই আরসিসি গার্ডার ব্রিজ নির্মাণের পাইলিংয়ের কাজ শুরু করা হয়। পাইলিং কাজের উদ্বোধন কালে কাপ্তাই ইউপি চেয়ারম্যান প্রকৌশলী আব্দুল লতিফ, উপজেলা প্রকৌশলী মনিরুল ইসলাম চৌধুরী, উপ-সহকারী প্রকৌশলী সরোয়ার আলম, ৫ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সজিবুর রহমান, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এম নুর উদ্দিন সুমন, স্থানীয় অধিবাসী থুইসাই মারমা, উচিংথোয়াই মারমা, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি কামরুল হাসান বাচ্চুসহ বিপুল সংখ্যক স্থানীয় অধিবাসী উপস্থিত ছিলেন। স্থানীয় অধিবাসীরা জানান, এই এলাকায় একটি স্কুল, একটি বিহারসহ প্রায় ২ শতাধিক পরিবারের বসবাস। এই ব্রিজটি নির্মিত হলে তাদের দীর্ঘদিনের কষ্ট লাঘব হবে। এছাড়া অতি সহজে তাদের উৎপাদিত পণ্য নতুনবাজারসহ উপজেলা সদরে নিয়ে বাজারজাত করতে পারবে।
কাপ্তাই ইউপি চেয়ারম্যান প্রকৌশলী আব্দুল লতিফ জানান, এই ব্রিজটি এতই জরাজীর্ণ যে,যেকোন সময়ে ভেঙ্গে যেতে পারে। তাই স্থানীয় সংসদ সদস্য দীপংকর তালুকদারের পরামর্শে এলজিইডির উদ্বর্ধন কর্তৃপক্ষের নিকট ব্রিজটি নির্মাণের জোর দাবি জানাই এবং অবশেষে প্রকল্পটি পাস হয়।
উপজেলা প্রকৌশলী মনিরুল ইসলাম চৌধুরী বলেন,,২০১৯-২০২০ অর্থবছরের আগামী ৬ মাসের মধ্যেই ব্রীজের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হবে।