মির্জা ইমতিয়াজ শাওন, প্রিয় চট্টগ্রাম: বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরার খবরে দলজুড়ে বইছে উৎসবের হাওয়া। দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে প্রিয় নেতার প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে কেন্দ্র থেকে তৃণমূল—সব স্তরের নেতাকর্মীদের মধ্যে দেখা দিয়েছে উচ্ছ্বাস, আশা ও নতুন উদ্দীপনা।
ঢাকা ও বিভাগীয় শহরগুলোসহ বিভিন্ন এলাকায় ব্যানারুফেস্টুন, পোস্টার ও আলোকসজ্জার মাধ্যমে আনন্দ প্রকাশ করছেন নেতাকর্মীরা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও চলছে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছার জোয়ার। দলীয় কার্যালয়গুলোতে মিষ্টি বিতরণ, দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হচ্ছে।

নেতাকর্মীদের মতে, তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন বিএনপির সাংগঠনিক শক্তি আরও দৃঢ় করবে এবং রাজনীতিতে নতুন গতি সঞ্চার করবে। তারা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে যে নেতৃত্বশূন্যতার অনুভূতি ছিল, তা কেটে যাবে; দল আরও ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে পারবে।
দলীয় সূত্র জানায়, তারেক রহমানের দেশে ফেরা শুধু একটি রাজনৈতিক ঘটনা নয়—এটি বিএনপির জন্য একটি মনস্তাত্ত্বিক শক্তি ও ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক রূপরেখা বাস্তবায়নের গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। তার নেতৃত্বে দল গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনকে আরও বেগবান করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন নেতাকর্মীরা।
সব মিলিয়ে, তারেক রহমানের দেশে ফেরাকে ঘিরে বিএনপিতে এখন উৎসবের আমেজ, আর সেই সঙ্গে নতুন প্রত্যাশা।
১৭ বছর পর আগামী ২৫ ডিসেম্বর (বৃহস্পতিবার) দেশে ফিরছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এ দিন তাকে সংবর্ধনা দেয়ার জন্য প্রস্তুত হচ্ছে মঞ্চ, নেয়া হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, মোড়ে মোড়ে বসানো হয়েছে নিরাপত্তা চৌকি।
দেশে পৌঁছে তারেক রহমান প্রথমেই যাবেন তার মা ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে দেখতে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে।
এরপর বিকেলে রাজধানীর ৩০০ ফিট এলাকায় আয়োজিত একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশে যোগ দেবেন তিনি। সেখানে তাকে দল মত নির্বিশেষে সংবর্ধনা দেয়া হবে। শেষ সময়ের মত প্রস্তুতি চলছে সমাবেশস্থলের।
এদিকে তারেক রহমানের আগমন ঘিরে রাজধানীতে নেয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা, মোড়ে মোড়ে বসানো হয়েছে নিরাপত্তা চৌকি। এছাড়া তারেক রহমানের দেশে ফেরা ঘিরে উজ্জীবিত বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা।
তার দেশে ফেরাকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে তৈরি হয়েছে ব্যাপক আলোচনা। এটি ইতিহাসের সবচেয়ে বড় সমাবেশ হবে বলেও মনে করেন নেতাকর্মীরা।
আগ্রহ আর অপেক্ষার অবসান ঘটবে বলে আশা বিএনপির নেতাকর্মীদের। তারা মনে করছেন, তারেক রহমানের আগমনে উজ্জীবিত হবে বিএনপিসহ সারা বাংলাদেশ। সমাবেশ শেষে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান গুলশান-২ এর ১৯৬ নম্বর বাসভবনে যাবেন বলে জানা যায়।












