দেশের দ্রুত পরিবর্তনশীল ডিজিটাল জীবনধারার এক অবিচ্ছেদ্য অংশ ডেলিভারি রাইডার ও রাইড–শেয়ারিং পার্টনাররা। যাত্রী পরিবহন হোক কিংবা জরুরি খাবার ও পণ্য পৌঁছে দেওয়া—দিন–রাত নিরলস পরিশ্রমে তাঁরা শহুরে জীবনকে সচল রাখছেন।
এই পরিশ্রমী কর্মীদের সুবিধার্তে বিশেষ বান্ডেল অফার ‘রাইডারস প্যাক’ চালু করেছে দেশের শীর্ষস্থানীয় উদ্ভাবনী ডিজিটাল অপারেটর বাংলালিংক। যাঁদের জীবিকা সংযোগনির্ভর, তাঁদের প্রয়োজনের কথা বিবেচনায় নিয়েই প্যাকটি সাজানো হয়েছে—যাতে তাঁদের কর্ম ও ব্যক্তিজীবন আরও সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ হয়।

৪৯৯ টাকার এই প্যাকে থাকছে ২০ জিবি ইন্টারনেট ও ৩০০ মিনিট কথা বলার সুবিধা। মেয়াদ ৩০ দিন। ডেলিভারি ও রাইড–শেয়ারিং কাজের ধরন অনুযায়ী এতে রাখা হয়েছে বিশেষ সুবিধা। প্যাকটি চালু করলে ব্যবহারকারীরা ডেটা খরচ ছাড়াই উবার, ফুডপান্ডা, পাঠাও, ফুডি এবং গুগল ম্যাপসসহ প্রয়োজনীয় প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করতে পারবেন সর্বোচ্চ ১০ জিবি পর্যন্ত। প্রাথমিকভাবে ঢাকা ও চট্টগ্রামে মাইবিএল অ্যাপের মাধ্যমে এই অফার পাওয়া যাবে।
প্রতিদিন হাজারো রাইডার যানজট, প্রতিকূল আবহাওয়া ও ব্যস্ত সময়সূচি সামলে কাজ করেন। তাঁরা মানুষের দোরগোড়ায় খাবার পৌঁছে দেন, যাত্রী পরিবহন করেন, জরুরি পার্সেল গন্তব্যে পৌঁছে দেন। কাজের প্রতিটি ধাপে তাদের সবথেকে প্রয়োজনীয় জিনিস হলো স্থিতিশীল মোবাইল ডেটা। নেভিগেশন, অর্ডার ব্যবস্থাপনা ও গ্রাহকের সঙ্গে যোগাযোগ—সবই নির্ভর করে নিরবচ্ছিন্ন সংযোগের ওপর। তাই সামান্য বিঘ্ন মানেই সময় ও আয়ের ক্ষতি।
এই বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়েই বাংলালিংক এনেছে নির্ভরযোগ্য ও ভারসাম্যপূর্ণ একটি বান্ডেল। এটি কাজের প্রয়োজন মেটানোর পাশাপাশি ব্যক্তিগত যোগাযোগের চাহিদাও পূরণ করবে।
মানুষের প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দিয়ে বাস্তবধর্মী সেবা দেওয়ার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এ উদ্যোগ নিয়েছে বাংলালিংক। পর্যায়ক্রমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ‘রাইডার্স প্যাক’ চালু করা হবে। প্রথমে বড় শহরগুলোতে, যেখানে অ্যাপভিত্তিক সেবা বেশি সক্রিয়, সেখানে এ সেবা দিয়ে কার্যক্রম শুরু হবে।
এ প্রসঙ্গে বাংলালিংকের চিফ মার্কেটিং অফিসার কাজী মাহবুব হাসান বলেন, “ডেলিভারি রাইডার ও রাইড–শেয়ারিং পার্টনাররা ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত আমাদের শহরকে সচল রাখেন। তাঁদের অবদানকে স্বীকৃতি দিয়ে এবং কাজ ও প্রাত্যহিক জীবনকে নির্ভরযোগ্য সংযোগের মাধ্যমে আরও স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ করতেই আমরা ‘রাইডার্স প্যাক’ চালু করেছি।
তিনি বলেন, পিপল-ফার্স্ট ব্র্যান্ড হিসেবে বাংলালিংক গ্রাহকের প্রতি যত্নশীল দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কাজ করে। রাইডারদের জীবিকায় সহায়তা করা এবং তাঁদের কাজকে স্বীকৃতি দিতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনের মুহূর্তে যেন তাঁরা সংযুক্ত থাকতে পারেন—এটাই আমাদের লক্ষ্য।












