শফিউল আলম, রাউজান: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষি মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, হালদা তীরবর্তী এলাকায় যাদের জন্ম তারা সৌভাগ্যবান। কারণ এটি এমন একটি নদী যে নদীর পানিতে সোনা ফলে। ফলে এই নদীর জীববৈচিত্র্য রক্ষায় হালদাপাড়ের মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে।
মন্ত্রী আরো বলেন, হালদা নদী যারা পাহারা দিয়ে রাখে তাদের জন্য সুযোগ সুবিধা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। আগামীতে জাতীয় সম্পদ হালদা নদীর জীববৈচিত্র্য রক্ষাসহ যে সকল সমস্যার কথা উঠে এসেছে সেগুলো গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ভূমি মন্ত্রণালয় এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিয়ষক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন এম.পি,বলেন, হালদা নদীতে বিভিন্ন শাখাখাল হয়ে কলকারখানার বর্জ্যসহ নানাবিধ কারণে নদীর পানি দূষিত হচ্ছে। এই বিষয়ে কাউতে ছাড় দেওয়া হবেনা। যারাই নদী দূষণের জন্য দায়ী তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।প্রতিমন্ত্রী বলেন, হালদা নদী রক্ষায় আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

৪ জুলাই (শনিবার) হালদা নদীর রাউজান পৌর এলাকার সর্তা ব্রীজ সংলগ্ন স্থানে হালদা নদীর প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজননক্ষেত্র উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্প (২য় পর্যায়) এর আওতায়হালদা নদীর মৎস্যজীবীদের বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে সেলাই মেশিন বিতরণ অনুষ্ঠানে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো: দেলোয়ার হোসেন, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ড. মোঃ খালেদ কনক।চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক)মো: মোতাহার হোসেনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন হালদা প্রকল্প পরিচালক মোঃ নাজিম উদ্দীন, হালদার ডিম আহরণকারী শফিউল আলম, রোসাঙ্গীর আলম।অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাগণ, জেলা মৎস্য অফিসার, রাউজান ও হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, রাজনৈতিক, সামাজিক নেতৃবৃন্দ ও হালদা নদীর ডিম সংগ্রহকারী ও সুফলভোগী নারী-পুরুষ উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভা শেষে হালদা নদীর মৎস্যজীবীদের বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়। পরে হালদা নদীতে মাছের পোনা অবমুক্ত করার পর হালদা নদী তীরবর্তী মোবারেকখীল সরকারি হ্যাচারি পরিদর্শন করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষি মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ ও ভূমি মন্ত্রণালয় এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিয়ষক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন এম.পি।হ্যাচারি প্রাঙ্গনে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী দুটি ঔষধী গাছের চারা রোপণ করেন।












