চট্টগ্রাম-৯ আসনে বিএনপির প্রার্থী আবু সুফিয়ান বলেছেন, বিএনপি সবসময় গণতন্ত্র, মানুষের অধিকার ও ভোটের মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় রাজনীতি করেছে। ভয়াবহ সংকটেও বিএনপির নেতাকর্মীরা জনগণের পাশে থেকে আওয়ামী ফ্যাসিবাদি শক্তির বিরুদ্ধে আন্দোলন-সংগ্রাম চালিয়ে গেছে। তৃণমূল থেকে নীতি নির্ধারণী পর্যায়- আওয়ামী লীগের রোষানল থেকে বিএনপির কোন নেতাকর্মী বাদ পড়েনি। বিএনপি নেতাকর্মীদের সকল আত্মত্যাগ ও দীর্ঘ ১৭ বছরের এই ঐতিহাসিক আন্দোলন-সংগ্রামের উদ্দেশ্য একটাই- জনগণের ভোটের মাধ্যমে একটি জবাবদিহিমূলক ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা। বিএনপির প্রতি জনগণের পূর্ণ আস্থা ও সমর্থন রয়েছে। আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারী ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করে আমরা জনগণের অধিকার ফিরিয়ে আনবো, ইনশাআল্লাহ্। জনগণ পক্ষে থাকলে কোন অপশক্তিই ধানের শীষের বিজয় ছিনিয়ে নিতে পারবেনা।

৩১ জানুয়ারি (শনিবার) দুপুরে ১৮নং পূর্ব বাকলিয়া ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগকালে আয়োজিত এক পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এলাকার শত শত নারী-পুরুষ ধানের শীষের প্রার্থী আবু সুফিয়ানকে ফুল দিয়ে বরণ করেন এবং স্বতঃস্ফুর্তভাবে গণসংযোগে অংশগ্রহণ করেন। এসময় ধানের শীষের স্লোগানে স্লোগানে প্রতিটি এলাকা মুখরিত হয়ে উঠে।
আবু সুফিয়ান আরও বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর বিএনপি শুধুমাত্র গণতন্ত্র পুনঃরুদ্ধারের আন্দোলন করিনি। দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য, রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের মাধ্যমে রাষ্ট্রকে সঠিকভাবে পরিচালনায় সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। ক্ষমতায় গেলে কিভাবে রাষ্ট্র পরিচালনা করবে সে লক্ষ্যে- ২০১৭ সালে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ভিশন-২০৩০ এবং ২০২৩ সালে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ৩১দফার রুপরেখা প্রদান করে। দেশ ও জনগণের সুন্দর ভবিষ্যত বিনির্মাণে সকল অংশীজনের মতামতের ভিত্তিতে বিএনপি এই রুপরেখা প্রণয়ন করেছে। সুতরাং বিএনপিই একমাত্র রাজনৈতিক দল যাদের দেশ ও জনগণকে নিয়ে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে। ৩১দফা হচ্ছে জনগণের জন্য শান্তি সুখের রুপরেখা। আগামী নির্বাচনে ধানের শীষকে বিজয়ী করে বিএনপিকে ক্ষমতায় আনা গেলে তারেক রহমানের নেতৃত্বে ৩১দফা বাস্তবায়নের মাধ্যমে আমরা বাংলাদেশকে একটি সমৃদ্ধশালী ও মর্যাদাশীল রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে পারবো।
সভায় প্রধান বক্তার বক্তব্যে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আলহাজ্ব সামশুল আলম বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন দেশ ও জনগণের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই নির্বাচনের মাধ্যমে- রাষ্ট্র গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় ফিরে আসবে এবং জনগণের প্রত্যাশিত রাষ্ট্র বিনিমার্ণ হবে। তাই সকল ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে সবাইকে কাধে কাধে মিলিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে ধানের শীষের পক্ষে কাজ করতে হবে।
এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক শওকত আজম খাজা, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, সিহাব উদ্দিন মোবিন, সদস্য নুরুল আলম রাজু, আনোয়ার হোসেন লিপু, আবু তৈয়ব, মো. শাহাজাহান, হাজী মহিউদ্দিন, মো. আজগর। বক্তব্য রাখেন আলমগীর নুর, মো. মুজিব, মো. মাসুম, সাবেক কমিশনার মো. নাজের, মো. হারুন, আব্দুল্লাহ আল ছগির, সাইফুল ইসলাম নীরব, হাজী আইয়ুব আলী, রওশনগীর আমিন, মো. বেলাল, আব্দুল কাদের, মো. নাছির, মো. নুরুদ্দিন, মো. ইলিয়াছ, মো. রাজু প্রমুখ।












