প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির ইংরেজি বিভাগের ৪০তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে ০৯ ফেব্রুয়ারি (সোমবার) অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণভাবে উদযাপিত হয়েছে ‘কালার ফেস্ট’। প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির জিইসি মোড়স্থ ক্যাম্পাসে দিনব্যাপী এই আয়োজনে শিক্ষার্থীরা নাচ, গান এবং রঙের খেলায় মেতে উঠে ক্যাম্পাসকে এক বর্ণিল উৎসবে পরিণত করে। ৪০তম ব্যাচের কো-অর্ডিনেটর সহকারী অধ্যাপক সৈয়দা সালমা আক্তারের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এই অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয়।
অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর এস. এম. নছরুল কদির বলেন, বিদায়ী শিক্ষার্থীদের এই আনন্দ উদযাপন তাদের ক্যাম্পাসজীবনের স্মৃতির পাতায় একটি বিশেষ অধ্যায় হয়ে থাকবে। ইংরেজি বিভাগ সবসময়ই শিক্ষার্থীদের একাডেমিক ও এক্সট্রা কারিকুলার এক্টিভিটিসে ব্যস্ত রাখে, যা প্রশংসনীয়। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার মাঝেও নির্মল আনন্দ খুঁজে পায়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষা ও বিনোদন যদি পাশাপাশি চলে, তবে শিক্ষা কার্যক্রম আরও ফলপ্রসূ ও আনন্দময় হয়ে ওঠে।
কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহীত উল আলম শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, শিক্ষা মানে কেবল পাঠ্যবইয়ের সীমাবদ্ধ জ্ঞান নয়, বরং সংস্কৃতির চর্চা ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনও শিক্ষার অবিচ্ছেদ্য অংশ। কালার ফেস্টের এই রঙ যেন শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ জীবনেও অনুপ্রেরণা হয়ে থাকে। এ ধরনের আয়োজন তাদের সৃজনশীলতাকে শাণিত করবে এবং কর্মজীবনে প্রবেশের আগে একটি পজিটিভ মানসিকতা তৈরি করতে সাহায্য করবে।
ইংরেজি বিভাগের চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক সৈয়দ জসীম উদ্দীন তাঁর বক্তব্যে বলেন, তোমরা শিক্ষার্থীরাই আমাদের ক্যাম্পাসের সবচেয়ে উজ্জ্বলতম রং। আজ তোমাদের এই স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ প্রমাণ করে যে, তোমরা পড়াশোনার পাশাপাশি সুশৃঙ্খল সংস্কৃতিচর্চায় কতটা পারদর্শী। তিনি আরও যোগ করেন, এই বিদায়বেলা তোমাদের জন্য যেমন আবেগের, আমাদের জন্যও তেমনি গর্বের। আমি আশা করি তোমরা যেখানেই যাবে, ইংরেজি বিভাগের এই প্রাণোচ্ছলতা এবং শৃঙ্খলাবোধ সাথে রাখবে। চমৎকার ও সুশৃঙ্খল একটি অনুষ্ঠান আয়োজনে সার্বিক সহযোগিতার জন্য আমি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।
অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী পর্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ সোলাইমান চৌধুরী, সহযোগী অধ্যাপক সাদাত জামান খান, শাহনাজ পারভীন, কোহিনুর আক্তার, রফিকুল ইসলাম ও রুমানা চৌধুরীসহ বিভিন্ন বর্ষের বিপুল শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন। দিনব্যাপী নাচ, গান এবং একে অপরকে রঙে রাঙানোর মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীরা এক অবিস্মরণীয় দিন অতিবাহিত করে।












