জ্বর ও শ্বাসকষ্টের মতো করোনার উপসর্গ নিয়ে নগরের হালিশহরে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতা মো. হোসেন মুরাদ মারা গেছেন।
বুধবার (১৩ মে) সকালে উত্তর মধ্যম হালিশহরে মুনিরনগর মুন্সিপাড়া এলাকায় নিজের বাড়িতে মারা যান তিনি।
মো. হোসেন মুরাদ নগরের ৩৭ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে প্রার্থী ছিলেন।
বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুকান্ত চক্রবর্তী বলেন, জ্বর ও শ্বাসকষ্টের মতো করোনার উপসর্গ নিয়ে তিনি মারা গেছেন। কয়েকদিন আগে নমুনা পরীক্ষার জন্য দিলেও ফলাফল এখনো পাওয়া যায়নি।
ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল মান্নান বলেন, প্রথমদিকে তার জ্বর ছিলো। জ্বর না কমায় রোববার তিনি নমুনা পরীক্ষার জন্য দেন।
‘বুধবার সকালে তার শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায়। হাসপাতালে নেওয়ার আগেই তার মৃত্যু হয়।’
রিপোর্ট পাওয়ার আগে মৃত্যুবরণ করা আওয়ামী লীগ নেতা মো. হোসেন মুরাদের করোনা পজিটিভ। তার বাড়ি লকডাউন করেছে পুলিশ।
বুধবার (১৩ মে) রাত সাড়ে ১০টায় চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে ঘোষণা করা ৯৫ জন করোনা আক্রান্তের মধ্যে তিনি একজন।
বুধবার সকালে উত্তর মধ্যম হালিশহরে মুনিরনগর মুন্সিপাড়া এলাকায় নিজের বাড়িতে করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা যান ৩৭ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে প্রার্থী মো. হোসেন মুরাদ।
বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুকান্ত চক্রবর্তী বাংলানিউজকে বলেন, জ্বর ও শ্বাসকষ্টের মতো করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া আওয়ামী লীগ নেতা হোসেন মুরাদের রিপোর্টে করোনা পজিটিভ এসেছে। উত্তর মধ্যম হালিশহরে মুনিরনগর মুন্সিপাড়া এলাকায় তার বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে।
নওফেল-নাছিরের শোক
এদিকে মো. হোসেন মুরাদের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল এবং সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন।
পৃথক বিবৃতিতে দুই নেতা বলেন, আওয়ামী লীগের একজন নিবেদিত প্রাণ হিসেবে সবসময় দলের নীতি ও আদর্শ বাস্তবায়নে কাজ করতেন মুরাদ। তার মৃত্যু নিঃসন্দেহে দলের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি।
আওয়ামী লীগ নেতা মো. হোসেন মুরাদের মৃত্যুতে তার শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান নওফেল ও নাছির।












