স্কুলে যাওয়ার পথে অপহরন, পালিয়ে রক্ষা পেল স্কুল ছাত্র

শফিউল আলম, রাউজান ঃ চট্টগ্রাম জেলার ফটিকছড়ি উপজেলার ছুরুত আলী মার্কেটের পাশে মোহাম্মদ আলী তালুকদার বাড়ীর বাসিন্দ্বা মোঃ আবদুল মালেকের ১৪ বৎসর বয়সের সন্তান মোঃ জিশানকে নিয়ে তার পরিবার রাউজান সরকারী কলেজের সামনে চম্পাকলি মার্কেটের ৩তলায় ভাড়া বাসায় থাকেন । জিশান রাউজান সরকারী টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের ৮ম শ্রেণীর ছাত্র। তার রোল নং ৩৩। রাউজান সরকারী টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের ৮ম শ্রেণীর ছাত্র মোঃ জিশান ৬ জুন বৃহস্পতিবার ৯ টা ৩০ মিনিটের সময়ে তার বাসা থেকে স্কুলে যাওয়ার জন্য বের হয়। মোঃ জিশান তার বাসার সামনে রাউজান সরকারী কলেজ গেইট থেকে একটি সিএনজি অটোরিক্সাতে উঠে কলেজে যাওয়ার জন্য । অটোরিক্সাতে পেছনে দুজন ও সামনে চালক সহ দুজন ছিল বলে মোঃ জিশান জানান। অটোরিক্সাটি চট্টগ্রাম রাঙ্গামাটি মহাসড়ক হয়ে যাওযার সময়ে পুর্ব গহিরা টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড বলেজের দিকে না গিয়ে সুলতানপুর বেরুলিয়া দিয়ে জগৎ ধর সড়ক দিয়ে যেতে চাইলে, শিক্ষার্থী মোঃ জিশান অটোরিক্সার চালককে ঐ দিকে কেন যাচ্ছেন বললে, অটোরিক্সার পেছনে বসা দুই অপহরনকারী দলের সদস্যরা জিশানের মুখ চেপে ধরে জিশানের পরনে থাকা স্কুল পোষাক ছিড়ে ফেলে বলে বলেন, মোঃ জিশান । এরপর থেকে জিশান আর কিছু বলতে পারেনা বলে জানান। পরে শিক্ষার্থী মোঃ জিশানকে নিয়ে অটোরিক্সাটি হলদিয়া ইউনিযনের হলদিয়া ভিলেজ রোড দিয়ে হলদিয়ায় নিয়ে যাওয়া হয় । অটোরিক্সাতে বসা মোঃ জিশানের হঠাৎ জ্ঞান ফিরে আসলে, মোঃ জিশান দেখতে পায় ত্ াদু হাত বেধে রেখেছে, অটোরিক্সাটি দুই দিকে পর্দা দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে। অটোরিক্সাতে আর কেউ নেই। সড়কের এক পাশে দাড় করে রাখা অটোরিক্সা থেকে মোঃ জিশান তার হাতের বাধ কামড়ে খুলে অটোরিক্সা থেকে নেমে যায় । ঐ সময়ে সড়ক দিয়ে একটি আসা একটি অটোরিক্সাতে করে মোঃ জিশান হলদিয়া আমির হাটে এসে পরে রাউজান জলিলনগর বাস ষ্টেশনে তার ভাই হাসান ও তার আত্বিয় ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আবছার হোসেনের কাছে ঘটনার বিষয়ে জানান বলে মোঃ জিশানের আত্বিয় মোহাম্মদ আবছার হোসেন জানান। ঘটনার ব্যাপারে শিক্ষার্থী মোঃ জিশানের পরিবারের পক্ষ থেকে রাউজান থানায় অভিযোগ করবেন বলে জানিয়েছেন মোঃ জিশানের আত্বিয় মোহাম্মদ আবছার হোসেন । এ ব্যাপারে রাউজান থানার ওসি জাহিদ হোসেনকে ফোন করে জানতে চাইলে, রাউজান থানার ওসি জাহিদ হোসেন বলেন, শিক্ষার্থী অপহরন করার বিষয়ে আমার কাছে তার পরিবারের সদস্যরা কেউ আসেনি ।