বিশ্ববিদ্যালয়কে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিয়ে যেতে গবেষণা ও উদ্ভাবনের বিকল্প নেই

চবি গবেষণা পরিচালনা ও প্রকাশনা দপ্তরের কর্মশালায় চবি উপাচার্য

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণা পরিচালনা ও প্রকাশনা দপ্তরের উদ্যোগে Workshop on Research Methodology শীর্ষক দু’দিনব্যাপি (২৮-২৯ মে) এক কর্মশালা ২৮ মে ২০২৪ সকাল ১০:০০ টায় চবি ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের অডিটরিয়ামে শুরু হয়েছে। কর্মশালার প্রথমদিনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন এবং উক্ত কর্মশালার উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ আবু তাহের। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন চবি মাননীয় উপ-উপাচার্যদ্বয়। উদ্বোধনী সেশন সভাপতিত্ব করেন চবি গবেষণা পরিচালনা ও প্রকাশনা দপ্তরের পরিচালক প্রফেসর ড. আবদুল্লাহ আল ফারুক। দু’দিনব্যাপি কর্মশালার প্রথম পর্বে রিসোর্স পার্সন হিসেবে অংশগ্রহণকারী শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ প্রদান করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ আবু তাহের, চবি নৃবিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর ড. ফরিদ উদ্দিন আহামেদ ও চবি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবদুল্লাহ মামুন। দ্বিতীয় পর্বে রিসোর্স পার্সন হিসেবে প্রশিক্ষণ প্রদান করেন চবি অর্থনীতি বিভাগের প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবুল হোসাইন, চবি ইতিহাস বিভাগের প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম এবং চবি কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রফেসর ড. ইকবাল আহমেদ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন চবি বাংলা বিভাগের প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আনোয়ার সাঈদ। কর্মশালায় চবি বিভিন্ন অনুষদের ডিনবৃন্দ, শিক্ষকবৃন্দ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
মাননীয় উপাচার্য তাঁর বক্তব্যে উপস্থিত সকলকে শুভেচ্ছা ও স্বাগত জানান। তিনি এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ ও সময়োপযোগী কর্মশালা আয়োজন করায় আয়োজকবৃন্দকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, “বিশ^বিদ্যালয় হচ্ছে জ্ঞান গবেষণার উর্বর ক্ষেত্র। জ্ঞান সৃজন, বিতরণ, সংরক্ষণ এবং সৃজিত জ্ঞান দেশ-জাতির কলাণে প্রয়োগই বিশ^বিদ্যালয়ের মুল লক্ষ্য।” মাননীয় উপাচার্য কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে বলেন, “বিশ^বিদ্যালয়কে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিয়ে যেতে এবং বিশ^ র‌্যাংকিংয়ে নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করতে গবেষণা ও উদ্ভাবনের বিকল্প নেই। যথাযথ গবেষণা পদ্ধতি অনুসরণের মাধ্যমে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে গবেষণা প্রস্তাবনা উপস্থাপন করলেই গবেষণাকর্ম আন্তর্জাতিক স্বীকৃত জার্নালে স্থান পাবে। এ লক্ষ্য অর্জনে শিক্ষকদের গবেষণায় অধিকতর মনোনিবেশ করতে হবে।” তিনি আরও বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরতœ শেখ হাসিনা ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ বিনির্মাণে উন্নত বিশে^র আদলে বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা পদ্ধতি ইতোমধ্যে ঢেলে সাজিয়েছেন এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে গবেষণা খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি করে গবেষকদের উৎসাহ দিয়ে যাচ্ছেন। আমাদের শিক্ষকরা এ অবারিত সুযোগকে কাজে লাগিয়ে অধিকতর গবেষণামূখী হয়ে নিজেদের মেধার সাক্ষর রাখার পাশাপাশি দেশ-জাতির কল্যাণে ভুমিকা রাখতে হবে।” মাননীয় উপাচার্য শিক্ষক-গবেষকদের ৪র্থ শিল্প বিপ্লব মোকাবেলায় উদ্ভাবনী মেধাকে কাজে লাগিয়ে সময়োপযোগী ফলপ্রসু গবেষণার মাধ্যমে অর্জিত গবেষণালব্ধ জ্ঞান ছড়িয়ে দিয়ে দেশের আতœ-সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখার আহবান জানান। কর্মশালার ১ম পর্বে মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ আবু তাহের অহ ঙাবৎারবি ড়ভ জবংবধৎপয গধহধমবসবহঃ এর উপর অংশগ্রহণকারী শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ প্রদান করেন এবং কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষকদের উন্মুক্ত প্রশ্নের উত্তর প্রদান করেন।
কর্মশালার দ্বিতীয় দিনে প্রথম পর্বে অংশগ্রহণকারী শিক্ষকদের রিসোর্স পার্সন হিসেবে প্রশিক্ষণ প্রদান করবেন চবি বনবিদ্যা ও পরিবেশবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের প্রফেসর ড. খালেদ মিসবাহুজ্জামান, চবি মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর ড. মোঃ আবুল কাসেম ও চবি রসায়ন বিভাগের প্রফেসর ড. ফয়সাল ইসলাম চৌধুরী। ২য় পর্বে চবি ইনস্টিটিউট অব মেরিন সায়েন্সেস এর প্রফেসর ড. মোঃ শাহাদাত হোসেন, চবি বনবিদ্যা ও পরিবেশবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জসীমউদ্দিন ও চবি কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রফেসর ড. ইকবাল আহমেদ প্রশিক্ষণ প্রদান করবেন। ২ দিনব্যাপি কর্মশালায় চবি বিভিন্ন অনুষদের অর্ন্তভূক্ত ২৫০জন শিক্ষক (প্রভাষক-সহযোগী অধ্যাপক) অংশগ্রহণ করেন।