প্রফেসর তাহেরের নেতৃত্বে চবি এগিয়ে যাবে – ইউজিসি চেয়ারম্যান

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) কর্তৃক আয়োজিত পাবলিক বিশ^বিদ্যালয় সমূহের ২০২৩-২৪ অর্থবছরের এপিএ কার্যক্রম পরিবীক্ষণ ও প্রমাণক ব্যবস্থাপনা এবং ২০২৪-২৫ অর্থবছরের খসড়া কর্মপরিকল্পনা, পর্যালোচনা ও ফিডব্যাক প্রদান কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ১৬ মে ২০২৪ সকাল ১০:০০ টায় চবি উপাচার্য দপ্তরের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের মাননীয় চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত দ্বায়িত্ব) ও সদস্য প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আলমগীর এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ আবু তাহের। এতে চবি মাননীয় উপ-উপাচার্যদ্বয় ও ইউজিসি’র সচিব ড. ফেরদৌস জামান বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ইউজিসি’র অতিরিক্ত পরিচালক ও এপিএ ফোকাল পয়েন্ট বিষ্ণু মল্লিক।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের মাননীয় চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত দ্বায়িত্ব) প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আলমগীর কর্মশালায় উপস্থিত সকলকে শুভেচ্ছা ও স্বাগত জানান। তিনি বলেন, “দেশের বিশ^বিদ্যালয়গুলোর স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে ইউজিসি কাজ করে যাচ্ছে। এ জন্য ইউজিসি’র নির্ধারিত সূচকে নিজেদের মানোন্নয়নে সচেতন থেকে ফলপ্রসু কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়ার জন্য প্রত্যেক বিশ^বিদ্যালয়কে পরামর্শ দেন। তিনি পাবলিক বিশ^বিদ্যালয়সমূহের সাথে ইউজিসি’র এপিএ বা বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তির আওতায় বিশ^বিদ্যালয়সমূহের শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে আরও বেশী বাস্তবমূখী কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করার অনুরোধ জানান। মাননীয় ইউজিসি চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত দ্বায়িত্ব) চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ আবু তাহের এর সুযোগ্য নেতৃত্বে চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয় সকল সূচকে ও সার্বিক শিক্ষার মানোন্নয়নের মাধ্যমে সামনের দিকে এগিয়ে যাবে মর্মে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
মাননীয় উপাচার্য তাঁর বক্তব্যে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের মাননীয় চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত দ্বায়িত্ব), ইউজিসি কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন বিশ^বিদ্যালয় থেকে আগত কর্মকর্তাবৃন্দসহ উপস্থিত সকলকে শুভেচ্ছা ও প্রানঢালা অভিনন্দন জানান। তিনি ইউজিসি’র এ ধরনের আঞ্চলিক কর্মশালার ভেনু হিসেবে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়কে বেছে নেয়ায় আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। তিনি বলেন, “এ ধরনের কর্মশালায় সরাসরি আলোচনা-পর্যালোচনার মাধ্যমে অনেক নতুন নতুন বিষয়ের ধারণা যেমন উম্মুক্ত হয় তেমনি সমস্যার সমাধানও খুঁেজ পাওয়া যায়। তিনি দেশের সেবক হিসেবে প্রত্যেককে সর্বোচ্চ সততা, স্বচ্ছতা, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সাথে নিজ নিজ অর্পিত দ্বায়িত্ব পালনের মাধ্যমে কাঙ্খিত লক্ষ্য অর্জনের আহবান জানান। মাননীয় উপাচার্য বঙ্গবন্ধু তনয়া মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরতœ শেখ হাসিনার ভিশনারী নেতৃত্বে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ বিনির্মাণে আমাদের যার যা অর্পিত দায়িত্ব রয়েছে তা সঠিকভাবে সঠিক সময়ে অধিকতর সততা, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, নিষ্ঠা, আন্তরিকতা ও দক্ষতার সাথে পালন করে দেশের সকল পাবলিক বিশ^বিদ্যালয়কে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
কর্মশালায় ৯টি বিশ^বিদ্যালয়ের এপিএ সহ বিভিন্ন বিষয়ের ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তাবৃন্দ অংশগ্রহন করেন। বিশ^বিদ্যালয় গুলো হল- চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এবং চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যলয়। এছাড়াও ইউজিসি’র ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন বিশ^বিদ্যালয় থেকে আগত কর্মকর্তাবৃন্দ ও চবি এপিএ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।