প্রকাশ্যে দিনে দুপুরে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানকে হত্যা চেষ্টা

হাটহাজারী (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা: হাটহাজারী উপজেলার ফরহাদাবাদ ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড উদালিয়া গ্রামের মদনহাট ব্রিজের পরে দিদার মার্কেটের সামনে বীর মুক্তিযোদ্ধা সন্তান ও যুবলীগ নেতা হাবিবুর রহমানকে হত্যা চেষ্টা করে মোটরসাইকেল ছিনিয়ে নেয়ার অভিযোগ।

রবিবার (১২ মে) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে মুন্সি মাহামুদুল হকের বাড়ি থেকে কাটিরহাট যাওয়ার সময় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, রবিবার (১২ মে) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে মুক্তিযোদ্ধা সন্তান ও যুবলীগ নেতা হাবিবুর রহমান তাঁর নিজের মোটরসাইকেল চালিয়ে কাটিরহাট যাওয়ার সময় মহিউদ্দিন প্রকাশ সুদি ব্যবসায়ী লেদা গাড়ি ধাক্কা দিয়ে ফেলে হত্যা করে মোটরসাইকেল ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে। এ সময় সে তাকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি মারেন। তারপর স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতা হারুন এবং নাসির উদ্দীন উদালিয়া এসে হাবিবুর রহমান কে উদ্ধার করে। এরপর ছিনতাইকারী মহিউদ্দিন প্রকাশ সুদি ব্যবসায়ী লেদা পালিয়ে যায়। এ ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে যায় মডেল থানার এসআই শরীফ। মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা হাবিবুর রহমান বলেন, আজ রবিবার (১২ মে) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আমি ও আমার মা মোটরসাইকেল নিয়ে হাটহাজারী সোনালী ব্যাংকে যাচ্ছি এমন সময় দিদার মার্কেটের সামনে গেলে সুদি ব্যবসায়ী লেদা আমার মোটরসাইকেল ধাক্কা দিয়ে ফেলে হত্যা করতে চেয়েছিলেন। এরপর মোটরসাইকেল ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করেন। আশেপাশের লোকজন ছিলো বলে পারেনি। তারপর আমাকে মারধর করতে থাকে। এরপর আমি মডেল থানার ডিউটি অফিসার কে ফোন করে জানালে। তিনি টহল পুলিশের এসআই শরীফ কে ঘটনাস্থলে পাঠান। তিনি আসার আগেই সুদি ব্যবসায়ী লেদা পালিয়ে যায়। আমি বর্তমানে মডেল থানায় লিখিত মামলা দায়ের করার জন্য আসছি। অভিযুক্ত মহিউদ্দিন এর মুঠোফোন হামলার বিষয় জানতে চাইলে তিনি কোন কিছু জানে না বলে জানান। নুরুল আবছার তারেক মেম্বার এর মুঠোফোন একাধিক বার যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেনি। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা মডেল থানার এসআই শরীফ বলেন, আমি ঘটনাস্থলে গেছি। তবে সুদের টাকার জন্য মহিউদ্দিন নামে এক যুবক ভুক্তভোগী হাবিবের গায়ে হাত দিয়েছেন। তাই এমন ঘটনার জন্য আমি ভুক্তভোগীকে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিতে বলেছি। তারপর ব্যবস্থা নেয়া হবে।