চট্টগ্রামের বিপর্যস্থ স্বাস্থ্য ব্যবস্থার জন্য ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিন

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ও বিএনপির মেয়র প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন সংবাদ মাধ্যমে এক বিবৃতিতে বলেছেন, বাজেটে ঘোষিত ১০০০০ (দশ হাজার) কোটি টাকার থোক বরাদ্দ থেকে অবিলম্বে চট্টগ্রামের বিপর্যস্থ স্বাস্থ্য ব্যবস্থার জন্য ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিন। সদ্য বাজেটের ঘোষিত ১০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ থেকে অবিলম্বে চট্টগ্রামের বেহাল ও বিপর্যস্ত স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানোর জন্য বিশেষ করে অক্সিজেন সিলিন্ডার, সেন্ট্রাল অক্সিজেন সরবরাহ, হাই-ফ্লো-অক্সিজেন, ন্যাজাল ক্যানুলা, ভেন্টিলেটর সহ করোনা যুদ্ধের সম্মুখ যোদ্ধা ডাক্তার, মেডিকেল স্টাফ, নার্স কর্মচারীদের ভাতা, সম্মানী, প্রণোদনার জন্য অবিলম্বে ৫০০ কোটি বরাদ্দ দিলে চট্টগ্রামের মানুষ এই ক্রান্তিকালে চিকিৎসা সেবার সুযোগ পেত।
বরাবরই স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিকল্পনা সমন্বয়ের অভাবে মানুষের মৌলিক অধিকারের এই গুরুত্বপূর্ণ খাতটি অবেহিলত। বিশেষ করে যে চট্টগ্রাম অর্থনীতির মূল প্রাণকেন্দ্র সে চট্টগ্রামের প্রতি সরকারের বিমাতসূলভ আচরণ সহজেই চোখে পড়ছে।
বিবৃতিতে ডা. শাহাদাত হোসনে আরো বলেন, কোভিড হাসপাতালের পাশাপাশি অবিলম্বে চট্টগ্রামে যে বেসরকারি মেডিকেল হাসপাতালগুলো এখনো এগিয়ে আসে নি, সে ৫টি বেসরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ২টি হাসপাতালকে সরকার করেনা উপসর্গযুক্ত হাসপাতাল হিসেবে ঘোষণা দিয়ে সেখানে প্রয়োজনীয় চিকিৎসার জন্য বরাদ্দ দিলে চট্টগ্রামবাসী চিকিৎসার অভাবে রাস্তাঘাটে মারা যেত না। বাজেটে ৮৫০ কোটি টাকার করোনাকালে সরকারি বিভিন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ক্ষতিপূরণের যে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে তার পাশাপাশি বেসরকারি খাতের করোনাযুদ্ধের সম্মুখযুদ্ধা চিকিৎসাসেবীদের জন্য ক্ষতিপূরণ বাবদ কোনো বরাদ্দ না পাশাপাশি বেসরকারি খাতের করোনা যুদ্ধের সম্মুখযুদ্ধা চিকিৎসাসেবীদের জন্য ক্ষতিপূরণ বাবদ কোনো বরাদ্দ না দিয়ে অমানবিকতা এবং অদূরদর্শিতার পরিচয় দিয়েছে।
ডা. শাহাদাত হোসেন আরও বলেন, করোনা পরিস্থিতি চট্টগ্রামে দিন দিন ভয়াবহতার দিকে যাচ্ছে, যেসব এলাকায় রেড জোন ঘোষণা দেয়া হয়েছে সেসব এলাকার জনসাধারণকে ঘর থেকে বের না হয়ে নিজেকে এবং নিজের পরিবারকে নিরাপদ রাখার আহবান জানিয়েছেন।
আজ ১৬ জুন, মঙ্গলবার, দুপুরে সংবাদ মাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ও বিএনপির মেয়র প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন এ কথা বলেন।