শফিউল আলম, রাউজান: রাউজান পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ডের দায়ারঘাটা এলাকায় সীমানা প্রাচীর নির্মাণের জন্য প্রস্তুত করা বাঁশ ও বেড়ায় আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
শনিবার দিবাগত রাতে এ অগ্নিসংযোগের ঘটনাটি ঘটে। আগুনে বাঁশের নির্মাণ সামগ্রীসহ পুড়ে গেছে কয়েকটি জীবিত নারিকেল গাছ। অগ্নিসংযোগ খবর পেয়ে রাত তিনটার দিকে রাউজান ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। জানা যায়, জাফর আহম্মেদ নামে এক ব্যক্তি ক্রয়কৃত জায়গায় নতুন সীমানা প্রাচীর নির্মাণের জন্য প্রস্তুত করে রাখে বাঁশের ভেড়া ও খুটি।

স্থানীয় আবু বক্কর নামের এক শিল্পপতির উঠানে এসব নির্মাণ সামগ্রী স্তুপ করে রাখা হয়েছিল। রাতের অন্ধকারে দুর্বৃত্তরা কেরাসিন ছিটিয়ে আগুন জ্বালিয়ে নিশ্চিহ্ন করে দেয় নির্মাণ সামগ্রীর স্তুপ। স্থানীয় বাসিন্দা মিনতি বিশ্বাস জানান, রাত দুইটার দিকে আগুনে বাঁশের গোড়ালী পুড়ে বিকট শব্দ হচ্ছিল। প্রথমে মনে হয়েছিল গুলাগুলি হচ্ছে কোথাও। পরে ঘর থেকে বাহির হলে দেখি আগুনে পুড়ছে বাঁশ ও বেড়ার স্তুপ। ক্ষতিগ্রস্ত জাফর আহম্মদ জানান, আমার ক্রয় করা জায়গায় দখল নিতে বাঁধা দিচ্ছে প্রবাসী খোরশেদ জামাল নামে এক ব্যক্তি। তাঁর নির্দেশে তার ভাই ফোরকান সন্ত্রাসীদের নিয়ে রাতের অন্ধকারে আগুন লাগিয়েছে। আগুনে আমার কয়েক লাখ টাকার ক্ষতি করেছে সন্ত্রাসীরা। আগুন সন্ত্রাসের পর আমি রাউজান থানাকে অবহিত করেছি।
থানা পুলিশের পরামর্শে আদালতে অভিযোগ দায়ের করেছি। এ ঘটনার সাথে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি। তিনি অভিযোগ করে বলেন, একটি কুচক্রী মহল শতবর্ষী পুকুর ভরাটের মিথ্যা কথা বলে সংবাদপত্রে অপপ্রচার করা হচ্ছে। অথচ খোরশেদ জামাল সহ কয়েকজন শতবর্ষী পুকুরটি ভরাট করার সাথে জড়িত।
পুকুরে মালিকানা দাবি করলেও খোরশেদ জামাল কোন কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি তদন্ত নিজাম উদ্দিন দেওয়ান বলেন, অগ্নিসংযোগের অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি। ঘটনার তদন্ত করা হচ্ছে। জড়িতদের সনাক্তে পুলিশ কাজ করছে।












