খুটাখালী বিএনপির কাউন্সিল ও সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থীতা ঘোষণা

তৃণমূল রাজনীতির পরীক্ষিত সৈনিক মোঃ ফরিদুল ইসলাম
সেলিম উদ্দিন, ঈদগাঁও, কক্সবাজার: তৃণমূল রাজনীতির পরীক্ষিত সৈনিক মোঃ ফরিদুল ইসলাম, খুটাখালী ইউনিয়ন বিএনপির কাউন্সিল ও সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থীতা ঘোষনা করেছেন।

ত্যাগ-তিতিক্ষার রাজনৈতিক জীবন,মামলা-নির্যাতন পেরিয়ে নেতৃত্বের লড়াইয়ে মোঃ ফরিদুল ইসলামের শক্তি।

আগামী ৪ জুন সম্মেলন ও কাউন্সিলে কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক জীবন, সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা এবং দলীয় কর্মকাণ্ডের বিবরণ তুলে ধরেন বিএনপি নেতা মো. ফরিদুল ইসলাম।

তিনি উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়নের ফুলছড়ি দরগাহ পাড়া গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর পিতা মরহুম মোহাম্মদ সুলতান এবং মাতা ধনাই বিবি। ১৯৭৬ সালের ২০ জুলাই জন্মগ্রহণকারী ফরিদুল ইসলাম শিক্ষাজীবনে চট্টগ্রামের ওমর গণি এম.ই.এস কলেজ থেকে বি.কম ডিগ্রি অর্জন করেন।

দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি খুটাখালী ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি খুটাখালী ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব, সাংগঠনিক সম্পাদক ও যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি খুটাখালী ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি, যুগ্ম আহ্বায়ক ও সাংগঠনিক সম্পাদক এবং চকরিয়া উপজেলা যুবদলের অর্থ সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। ছাত্র রাজনীতিতেও তিনি সক্রিয় ছিলেন এবং কক্সবাজার সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

নিজের রাজনৈতিক দর্শন সম্পর্কে ফরিদুল ইসলাম বলেন, “শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম)-এর বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আপোষহীন নেতৃত্ব আমাকে রাজনীতির প্রতি আকৃষ্ট করেছে।”

তিনি বলেন, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে তিনি একাধিক মামলা ও হয়রানির শিকার হয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে চকরিয়া থানায় দুটি রাজনৈতিক মামলা রয়েছে। এছাড়া রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে তাঁর বসতবাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হয় বলেও তিনি অভিযোগ করেন। একই সঙ্গে তাঁর ছোট ভাই ছৈয়দ আলম, যিনি স্থানীয় বিএনপির একজন নেতা, রাজনৈতিক মামলায় প্রায় দেড় মাস কারাভোগ করেন বলে উল্লেখ করেন।

ফরিদুল ইসলাম বলেন, নানা ধরনের নির্যাতন, মামলা ও প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হয়েও তিনি দল ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমেদের প্রতি আস্থা ও নিষ্ঠা বজায় রেখেছেন। ভবিষ্যতেও দলের যে কোনো দায়িত্ব নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করতে তিনি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের সমর্থন ও দোয়া কামনা করেছেন।