প্রথম দিনে চট্টগ্রামে এসএসসি পরীক্ষায় অনুপস্থিত ১০০৩

সারাদেশের মতো চট্টগ্রাম বোর্ডের অধীনেও এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে শিক্ষার্থী। প্রথম দিনের ২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষায় চট্টগ্রাম বোর্ডে ১ হাজার ৩ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত রয়েছেন। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকাল ১০টায় বাংলা প্রথম পত্রের মাধ্যমে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এবার ১ লাখ ৬০ হাজারের বেশি পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে। নগরী ও জেলার মোট ২১৮টি কেন্দ্রে একযোগে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকাল থেকে পরীক্ষার্থীদের চোখে-মুখে উত্তেজনার পাশাপাশি কিছুটা উদ্বেগ দেখা গেলেও অধিকাংশ কেন্দ্রে উৎসবমুখর পরিবেশে শিক্ষার্থীদের প্রবেশ করতে দেখা যায়। অনেক কেন্দ্রেই অভিভাবকদের ভিড় সামলাতে পুলিশ ও স্বেচ্ছাসেবকদের হিমশিম খেতে হয়।

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র কেন্দ্রের বাইরে অপেক্ষমান থাকা অভিভাবকদের পানি ও শুকনা খাবার বিতরণ করেছেন। এছাড়া পরীক্ষার কেন্দ্রেও বিশুদ্ধ পানির পর্যান্ত ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

পরীক্ষায় স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এবং প্রশ্নপত্র ফাঁসের গুজব রোধে এবার বিশেষ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড।

বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর পারভেজ সাজ্জাদ চৌধুরী বলেন, “এসএসসির পরীক্ষার প্রথম দিনে এক হাজার তিনজন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। নানা সমস্যা বা অসুস্থতার কারণে অনেকে পরীক্ষায় বসতে পারেননি, এমনটি ধারণা করা যায়। তবে পরীক্ষা শুরুর থেকেই কন্ট্রোল রুমের মাধ্যমে আমরা প্রতিটি কেন্দ্রের খবর রাখছি। কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই প্রথম দিনের পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। নকলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে ৭৬টি বিশেষ ভিজিল্যান্স টিম মাঠ পর্যায়ে কাজ করছে। তীব্র গরমে একটু হিমসিম খেতে হচ্ছে সবাইকে।”

তিনি জানান, এবারের পরীক্ষার বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে চলমান তাপপ্রবাহ। পরীক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুঁকির কথা মাথায় রেখে প্রতিটি কেন্দ্রে পর্যাপ্ত খাবার পানি এবং প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। বিদ্যুৎ বিভ্রাট এড়াতে স্থানীয় বিদ্যুৎ বিভাগকে বিশেষ অনুরোধ জানানো হয়েছিল, যার ফলে অধিকাংশ কেন্দ্রে পরীক্ষা চলাকালীন লোডশেডিংয়ের সমস্যা দেখা দেয়নি।