চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণা পরিচালনা ও প্রকাশনা দপ্তরের উদ্যোগে চবি নবীন শিক্ষকদের গবেষণা ও প্রকাশনা কার্যক্রমের গুণগত মান উন্নয়নের লক্ষ্যে ‘গধহধমবসবহঃ ড়ভ জবংবধৎপয এৎধহঃ ধহফ জবংবধৎপয গবঃযড়ফড়ষড়মু’ শীর্ষক দুইদিন (২৪-২৫ জুলাই) ব্যাপি এক কর্মশালা চবি এ কে খান আইন অনুষদ অডিটরিয়ামে শুরু হয়েছে। ২৪ জুলাই ২০২২ সকাল ১০:৩০ টায় কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের সম্মানিত সদস্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু তাহের। কর্মশালা উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. শিরীণ আখতার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চবি মাননীয় উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) প্রফেসর বেনু কুমার দে। গবেষণা পরিচালনা ও প্রকাশনা দপ্তরের পরিচালক এবং আইন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. আবদুল্লাহ আল ফারুক এর সভাপতিত্বে এবং চবি নজরুল গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আনোয়ার সাঈদ এর সঞ্চালনায় কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন চবি ফিজিক্যাল এডুকেশন এন্ড স্পোর্টস সায়েন্স বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবুল মনছুর এবং শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন চবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. সেলিনা আখতার।

প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু তাহের তাঁর বক্তব্যের শুরুতে সময়োপযোগী সেমিনার আয়োজন করায় আয়োজকবৃন্দকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে নিজেদের সম্মানজনকভাবে টিকিয়ে রাখতে হলে টেকসই উন্নয়নের কোন বিকল্প নেই। আর টেকসই উন্নয়নের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় নিজেদের সক্ষমতা অর্জন শুধু নয়; দক্ষও হতে হবে। তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল উদ্দেশ্যই হলো গবেষণার মাধ্যমে জ্ঞান সৃজন ও তা বিতরণ। গবেষণার গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিতে নির্দিষ্ট মেথোডোলজি মেনে গবেষণা পরিচালনা করা জরুরী। অন্যথায় গবেষণা গ্রহণযোগ্যতা হারাবে মর্মে তিনি অভিমত ব্যক্ত বরেন। গবেষণার ওপর বেস্ট রিসার্চার এওয়ার্ড চালুর বিষয়ে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ ধরণের এওয়ার্ড চালু থাকলে নবীন গবেষকরা গবেষণায় অধিকতর আগ্রহী হবেন। সম্মানিত অতিথি বিশ্ববিদ্যালয়ে ই-নথি চালু, এলামনাই প্রোফাইল এবং একাডেমিক ক্যালেন্ডার চালুর বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন। বঙ্গবন্ধুর সোনারবাংলা বিনির্মাণে দেশের প্রতি দায়বদ্ধতার নিরিখে স্ব স্ব অবস্থান থেকে দেশের উন্নয়ন অগ্রগতিতে সকলেই ভূমিকা রাখবেন প্রত্যাশা করে তাঁর বক্তব্য শেষ করেন।
চবি মাননীয় উপাচার্য তাঁর বক্তব্যে বলেন, কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীসহ উপস্থিত সকলকে স্বাগত ও শুভেচ্ছা জানান। একইসাথে কর্মশালায় উপস্থিত সম্মানিত অতিথি ইউজিসি’র সম্মানিত সদস্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু তাহেরকে বিশেষ ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়কে সার্বিকভাবে এগিয়ে নিতে হলে মান সম্মত গবেষণার কোন বিকল্প নেই; বিশ্ববিদ্যালয়কে দেশে এবং বিদেশে র্যাংকিং তথা উন্নত বিশ্ববিদ্যালয়ের কাতারে নিয়ে যেতে হলে মান সম্মত গবেষণাই একমাত্র অবলম্বন। মাননীয় উপাচার্য দৃঢ়তার সাথে বলেন, চবি’র তরুণ শিক্ষকবৃন্দ অত্যন্ত মেধাবী। তাঁরাই পারবে বিশ্ববিদ্যালয়কে শিক্ষা-গবেষণায় অধিকতর এগিয়ে নিতে। এ কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী তরুণ শিক্ষকবৃন্দ পারস্পরিক জ্ঞান আদান-প্রদানের মাধ্যমে মান সম্মত গবেষণা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ দিক নির্দেশনা পাবেন মর্মে আশাবাদ ব্যক্ত করে মাননীয় উপাচার্য কর্মশালার উদ্বোধন ঘোষণা করেন।
কর্মশালায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের ১৮৬ জন নবীন শিক্ষক অংশগ্রহণ করছেন। এতে ২ দিনে মোট ১২ টি সেসনে ১১ জন বিশিষ্ট শিক্ষক ও গবেষক গবেষণার বিভিন্ন দিক নিয়ে বক্তব্য প্রদান করছেন।











