বকেয়া পাওনা আদায়ের দাবিতে খুলশীতে বিজিএমইএ ভবনের সামনে অবস্থান ধর্মঘট করছে গার্মেন্ট শ্রমিকরা।
বুধবার (৮ মে) সকাল ৯টা থেকে বিজিএমইএ ভবনের সামনে অবস্থান নেন সানম্যান গ্রুপের গোল্ডেন হরিজন গার্মেন্টের ১ হাজার ৩০০ শ্রমিক।
বকেয়া বেতন ও ওভারটাইম মজুরি প্রদান এবং ছাটাইয়ের প্রতিবাদে বিজিএমইএ ভবনের সামনে অবস্থান ধর্মঘট শুরু করেন শ্রমিকরা।
গোল্ডেন হরিজন গার্মেন্টের সুপারভাইজার আরিফ খান বাংলানিউজকে বলেন, গত ফেব্রুয়ারি থেকে কর্মকর্তা ও মার্চ থেকে শ্রমিকদের বেতন বন্ধ রয়েছে। ২৭ এপ্রিল রাতে কারখানাও বন্ধ করে দেওয়া হয়। একটি নোটিশ দিয়ে বলা হয়, ৩০ এপ্রিল থেকে কারখানা খোলা হবে। সেদিন গিয়ে বন্ধ পায় শ্রমিক-কর্মকর্তারা।
‘আরেকটি নোটিশ দিয়ে বলা হয়, ৬ মে কারখানা খোলা হবে। ৬ মে আমরা যখন কাজে যাই কারখানায় তালা লাগানো দেখি। সেখানে নোটিশ টাঙানো হয়- কারখানা আর চালু করা হবে না। কোতোয়ালীর মোড়ে কারখানার হেড অফিসে গেলে বকেয়া টাকা দেওয়ার নাম করে ফিন্যান্স ডাইরেক্টর আশরাফসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা পেছনের দরজা দিয়ে পালিয়ে যান’ বলেন আরিফ খান।
গোল্ডেন হরিজন গার্মেন্টের শ্রমিক মো. সম্রাট বাংলানিউজকে বলেন, মার্চ থেকে শ্রমিকদের বেতন বন্ধ করে দিয়েছে মালিক। শ্রমিকদের কিছু না জানিয়ে হঠাৎ করে কারখানা বন্ধ ঘোষণা করে সবাইকে ছাটাই করেছে। কোনো পাওনা পরিশোধ করেনি তারা। তাই বিজিএমইএ ভবনের সামনে অবস্থান ধর্মঘট পালন করছি।’
ঘটনাস্থলে থাকা চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের সিনিয়র সহকারী কমিশনার (বায়েজিদ জোন) পরিত্রাণ তালুকদার বলেন, বকেয়া বেতন, ওভারটাইম মজুরি ও ছাটাইয়ের প্রতিবাদে বিজিএমইএ ভবনের সামনে অবস্থান ধর্মঘট পালন করছেন গোল্ডেন হরিজন গার্মেন্টের শ্রমিকরা। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে শ্রমিকদের বুঝানো হয়েছে। মালিকপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে।
অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবেলায় বিজিএমইএ ভবনের সামনে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানান খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রনব চৌধুরী।












