সিইউএসএস এর উদ্যোগে চিটাগং সায়েন্স কার্ণিভাল অনুষ্ঠিত

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সায়েন্টিফিক সোসাইটির (সিইউএসএস) উদ্যোগে ৯ জুন ২০২২ বেলা ১০:৩০ টায় চবি সমাজ বিজ্ঞান অনুষদ মিলনায়তনে দ্বিতীয়বারের মতো চিটাগং সায়েন্স কার্ণিভাল অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. শিরীণ আখতার। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চবি মাননীয় উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) প্রফেসর বেনু কুমার দে, চবি বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ নাসিম হাসান, সমাজ বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর সিরাজ উদ দৌল্লাহ, ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. রাশেদ মোস্তফা, বিশিষ্ট শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ বাসনা মুহুরী এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম অঞ্চলের পরিচালক জনাব মুফিদুল আলম। এতে প্রধান বক্তা ছিলেন বাংলাদেশ বিজ্ঞান একাডেমির সেক্রেটারী ইউজিসি প্রফেসর ড. হাসিনা খান। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সিইউএসএস এর উপদেষ্টা ও কার্ণিভাল এর আহবায়ক চবি জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল ফোরকান, সিইউএসএস এর উপদেষ্টা ও কার্ণিভাল এর সদস্য-সচিব জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. লায়লা খালেদা, সিইউএসএস এর সভাপতি জনাব হোসাইন মোহাম্মদ বায়েজিদ এবং সাধারণ সম্পাদক জনাব হুমায়রা ফেরদৌসী। স্বাগত বক্তব্য রাখেন সিইউএসএস এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য জনাব মোঃ আবদুর রহমান অপু। মাননীয় উপাচার্য তাঁর বক্তব্যে চট্টগ্রামের বৃহত্তম এ সায়েন্স কার্ণিভালে উপস্থিত সকলকে স্বাগত ও আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান। একইসাথে বিজ্ঞান বিষয়ক উৎসাহ-উদ্দীপনামূলক অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য আয়োজকবৃন্দকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, এখন বিজ্ঞানের যুগ; বিশ্বকে জয় করতে হলে বিজ্ঞান চর্চার কোন বিকল্প নেই। বিশেষকরে বর্তমান বিশ্বের নব নব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আধুনিক বিজ্ঞান মনস্ক শিক্ষা শিক্ষার্থীদের যুগোপযোগী জ্ঞানের পরিধিকে অধিকতর সমৃদ্ধ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে; পাশাপশি তাদের বহুমাত্রিক দক্ষতা সম্পন্ন যোগ্য মানবসম্পদে পরিণত হতে সহায়তা করবে। মাননীয় উপাচার্য আরও বলেন, এ ধরণের আয়োজনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান শিক্ষায় যেমন উৎসাহ যোগাবে তেমনি তাদের মেধা-মননকে নব নব আবিস্কারের দিকে উদ্বুদ্ধ করবে যা দেশ-জাতির উন্নয়ন-সমৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে। মাননীয় উপাচার্য প্রজন্মের
সন্তানদেরকে আধুনিক তথ্য-প্রযুক্তিসহ বিজ্ঞানের সকল শাখায় পারদর্শী করে গড়ে তুলতে শিক্ষক-গবেষকদের প্রতি আহবান জানান। পরে মাননীয় উপাচার্য অতিথিবৃন্দকে সাথে নিয়ে কার্ণিভালে প্রদর্শিত প্রজেক্টসমূহ ঘুরে দেখেন এবং অংশগ্রহণকারীদের সাথে কুশল বিনিময় করেন। দিনব্যাপি এ সায়েন্স কার্ণিভালে পোস্টার ও প্রজেক্ট প্রেজেন্টেশন, হ্যাকাথন, রোবো সকার কম্পিটিশন, বিজ্ঞান বিষয়ক উপস্থিত বক্তৃতা, ক্যান্সার বিষয়ক সেমিনার ও পপ কুইজ প্রতিযোগিতা প্রভৃতি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি প্রফেশনালারাও অংশগ্রহণ করেছেন। সারাদেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৮০০ শিক্ষার্থী ও প্রফেশনালরা এতে অংশগ্রহণ করেছেন। প্রতিটি সেগমেন্টে ৩টি করে বিজয়ীদের পুরস্কার ও নগদ অর্থ প্রদান করা হয়েছে।