মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর অংশীদারিত্ব রয়েছে এমন একটি টেকনোলজি কোম্পানিকে ৬০ মিলিয়ন ডলার ঋণ দিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েছে দুই বৃটিশ ব্যাংক। মানবাধিকার গ্রুপগুলো ব্যাংক দুটির কাছ থেকে তাদের এমন পদক্ষেপের ব্যাখ্যা জানতে চাইছে। এই অর্থ দিয়ে কো¤পানিটি একটি নেটওয়ার্ক তৈরি করছে যার আংশিক মালিকানা মিয়ানমার সেনাবাহিনীর এবং তারাই এটি ব্যবহার করে থাকে। এ খবর দিয়েছে দ্য গার্ডিয়ান।
যে ব্যাংক দুটির বিরুদ্ধে এই অভিযোগ উঠেছে সেগুলো হচ্ছে, এইচএসবিসি এবং স্টান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক। তারা ভিয়েতনামি টেলিকম জায়ান্ট ভিয়েতটেলকে গত ৪ বছর ধরে ওই অর্থ ঋণ দিয়ে আসছে। এই সময়েই মিয়ানমারের সেনারা রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে গণহত্যাসহ নানা যুদ্ধাপরাধে যুক্ত ছিল। ভিয়েতটেল হচ্ছে মিয়ানমারের মোবাইল নেটওয়ার্ক মাইটেলের প্রধান বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান।
২০১৮ সালে যাত্রা শুরু করার পর এটি এরইমধ্যে মিয়ানমারের দ্বিতীয় বৃহত্তম অপারেটরে পরিণত হয়েছে। এই নেটওয়ার্কের ২৮ শতাংশ মালিকানা রয়েছে মিয়ানমার সেনাবাহিনী পরিচালিত একটি সংস্থার। গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, মাইটেল মিয়ানমার সেনাবাহিনীর আয়ের একটি বড় অংশের যোগান দেয়। জাস্টিস ফর মিয়ানমার নামের একটি গ্রুপ সম্প্রতি এই তথ্য প্রকাশ্যে নিয়ে আসে।
প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানা যায়, কীভাবে মাইটেল মিয়ানমার সেনাবাহিনীর অবকাঠামো উন্নত করতে কাজ করছে। এরমধ্যে রয়েছে সেনাবাহিনীর জন্য ফাইবার অপটিক নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা গড়ে তোলা। সেনাবাহিনী ও মাইটেলের মধ্যেকার স¤পর্ক দৃঢ়। মিয়ানমার সেনাবাহিনীর মেজর জেনারেল থাও লুইন মাইটেলের একজন পরিচালক।












