ধর্ম প্রতিমন্ত্রী পদে আলোচনায় নজিবুল বশর মাইজভান্ডারীর নাম

নিজস্ব প্রতিবেদক:
ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর মৃত্যুর পর এ মন্ত্রণালয় এখন মন্ত্রীশূন্য। সামনে হজ মৌসুম। সঙ্গত কারণেই ধর্ম মন্ত্রণালয়ে দ্রুততম সময়ের মধ্যে মন্ত্রী অথবা প্রতিমন্ত্রী নিয়োগ দেয়ার ব্যাপারে সরকারের উচ্চপর্যায়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে।

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহর মৃত্যুর পর মন্ত্রণালয়টি এখন মন্ত্রীশূন্য। তার স্থলাভিষিক্ত কে হবেন, সেটা নিয়ে আওয়ামী লীগ এবং ১৪ দলের মধ্যে বেশ আলোচনা শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, শুধু ধর্ম মন্ত্রণালয় নয়, আরও কয়েকটি মন্ত্রণালয়েও রদবদল হতে পারে।

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের শূন্যস্থান পূরণে কাকে বসানো হবে তা নিয়ে আওয়ামী লীগ ও ১৪ দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে বেশ গুঞ্জন চলছে। ইতোমধ্যে বেশকিছু নাম নিয়ে আলোচনাও হয়েছে।
এর মধ্যে অন্যতম চট্টগ্রাম-২ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান সৈয়দ নজিবুল বাশার মাইজভান্ডারি।

প্রয়াত ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মো. আবদুল্লাহর উত্তরসূরি কে হচ্ছেন তা নিয়ে চলছে নানা আলোচনা ; চলছে সর্বত্র গুঞ্জন।
ধর্ম প্রতিমন্ত্রী হতে এরই মধ্যে শক্ত অবস্থানে রয়েছেন ১৪ দলীয় নেতা, তরিকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান এবং চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসন থেকে নির্বাচিত সাংসদ আলহাজ্ব সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী।

রাজনৈতিক অঙ্গনে বারে বারে আলহাজ্ব সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারীর নামটাই উঠে আসছে। এর কারণ হিসাবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা জানান,নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী প্রথমতঃ আর্ধ্যাত্মিক সাধক,শাহসুফী হযরত মাওলানা সৈয়দ গোলামুর রহমান (মুঃকঃ) মাইজভান্ডারীর দৌহিত্র, দ্বিতীয়তঃ তিনি ফটিকছড়ি আসনে দীর্ঘ সময়ের সাংসদ হিসাবে তাঁর ভাল অবস্থান রয়েছে, তৃতীয়তঃ দেশের স্বাধীনতা বিরোধী জামায়াতসহ অপশক্তির বিরুদ্ধে সোচ্ছার মনোভাব, তাঁর সাথে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিদ্যমান এবং শেষতক বৈশ্বিক মহামারীর সংক্রমণ থেকে তাঁর নির্বাচনী এলাকার মানুষকে রক্ষা করতে তিনি গ্রামের বাড়িতে অবস্থান করে সার্বক্ষণিক উপজেলা প্রশাসনকে সহযোগিতা করে প্রশংসিত হয়েছেন। এ বিষয়ে সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারীর সাথে ফোনে কথা হলে তিনি কোন মন্তব্য করেননি।

বাজেট অধিবেশন শেষ হলে যেকোনো সময় মন্ত্রিসভায় নতুন মুখ অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে একাধিক মন্ত্রীর সঙ্গে কথা বললে তারা পূর্বের কথাই পুনর্ব্যক্ত করেন। বলেন, ‘মন্ত্রী বানানো, নামানোর লোক একজনই; তিনি হলেন প্রধানমন্ত্রী। কে মন্ত্রী হবেন, এটা উপরে আল্লাহ আর নিচে শেখ হাসিনা ছাড়া কেউ বলতে পারেন না। যিনি মন্ত্রী হবেন তিনিও বলতে পারেন না। মন্ত্রিপরিষদ সচিব কোনো নেতাকে ফোন দিলে তখন তিনি বলতে পারবেন যে তিনি মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে যাচ্ছেন।’