করোনায় মৃতদের দাফন কাপন, সৎকার’র দায়িত্ব নিলেন নাছির

চট্টগ্রামের পটিয়ায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণকারী হিন্দু. মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান বা যে কোন ধর্মের মানুষের দাফন কাপন, সৎকারসহ প্রত্যেক ধর্মের রীতি নীতি অনুযায়ী শেষ যাত্রার বিদায়ের
দায়িত্ব নিয়েছেন বিজিএমইএ এর সাবেক সহ- সভাপতি ও চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ নাছির। এর ধারাবাহিকতায় পটিয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে লোকজন নিয়ে একটি টিমও গঠন করেছে। বিজিএমইএ নাছিরের সাথে একটি অরাজনৈতিক সংগঠন গাউছিয়া কমিটি বাংলাদেশ একাত্বতা ঘোষণা করে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মরদেহের দাফন ও সৎকারের দায়িত্ব নিতে ভয় পাচ্ছে পরিবার-পরিজন ও আত্মীয়-স্বজনরা। ৫০ সদস্যের একদল প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত অভিজ্ঞ আলেম ও ব্রাহ্মন, ভান্তেসহ স্বেচ্ছাসেবক দল। তারা এই পর্যন্ত পটিয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় ১৫টি মরদেহ দাফন করেছে।
উপজেলার  পৌরসদরের গাউসিয়া কমিটির খানকা কার্যালয়ে বিজিএমইএ নাছিরের পক্ষ থেকে সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণপূর্বক স্বাস্থ্যবিধি  মেনে সংক্ষিপ্ত আলোচনায় অনুষ্ঠিত হয়। এ সময়  বিজিএমইএ নাছির বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে করোনা আক্রান্ত মরদেহ দাফন ও সৎকারের ক্ষেত্রে সমস্যাটি আমার নজরে আসে। বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ দেখতে পাই করোনা সংক্রমণের আশঙ্কায় পরিবারের লোকজনও অনেক ক্ষেত্রে মরদেহ ফেলে ভয়ে পালিয়ে যাচ্ছে। এ ঘটনা আমার মনকে নাড়া দেয়। যার কারণে আমি পটিয়ার করোনা ভাইরাসো মারা যাওয়া মৃতদেহ স্ব স্ব ধর্মের নিয়ম মতে দাফনের দায়িত্ব নেয়ার ঘোষণা দেন।
সভাপতিত্ব করেন গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ পটিয়া উপজেলা কমিটির  স্বেচ্ছাসেবক টিমের প্রধান চেয়ারম্যান মাহবুবুল আলম। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন, গাউছিয়া কমিটির সদস্য সচিব মাওলানা ইসহাক আল কাদেরী, উপজেলা আওয়ামী লীগ  নেতা মাঈন উদ্দীন,  আলহাজ্ব নাজিম উদ্দীন,  দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সাবকে যুগ্ম আহাবয়ক মহিউদ্দিন মহি, তালুকদার নাজিম উদ্দীন, উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা মো. রফিক, কায়সার হিরু, টিপু, তাহের, আব্বাস, নুরুল আবছার, আইয়ুব আলী মিজান, মাওলানা আলী আহমদ কাসেমী প্রমুখ।