চবিতে বাংলাদেশ আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ফুটবল (ছাত্রী) প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের এ. এফ. রহমান হল মাঠে বৃহস্পতিবার (১৪ মে) ‘বাংলাদেশ আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ফুটবল (ছাত্রী) প্রতিযোগিতা-২০২৬’-এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অংশগ্রহণে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতার সমাপনী দিনে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সালেহ্ জহুর। অনুষ্ঠানটিতে সভাপতিত্ব করেন চবি ফুটবল টিমের ম্যানেজার ও ইনস্টিটিউট অব মেরিন সায়েন্সেস এর প্রফেসর ড. মোঃ শফিকুল ইসলাম।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে চবি মাননীয় উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান সবাইকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, ফুটবল বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় খেলা। খেলাধুলা শরীর চর্চার পাশাপাশি শৃঙ্খলা, নিয়মানুবর্তিতা এবং দেশপ্রেম শেখায়। যারা বিজয়ী এবং বিজিত হয়েছে সবাইকে তিনি অভিনন্দন জানান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সালেহ্ জহুর সবাইকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। সভাপতির বক্তব্যে প্রফেসর ড. মোঃ শফিকুল ইসলাম বিজয়ীদের অভিনন্দন জানান। পাশাপাশি অংশগ্রহণকারী সকলকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান এবং আগামীতে এ ধরণের আয়োজন অব্যাহত রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয় যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (যবিপ্রবি), রানার্স আপ হয় স্বাগতিক দল চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এবং তৃতীয় স্থান অর্জন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন এ.এফ রহমান হলের প্রভোস্ট প্রফেসর মোহাম্মদ আলম চৌধুরী, স্বাগত বক্তব্য রাখেন চবি শারীরিক শিক্ষা বিভাগের পরিচালক হাবিবুর রহমান জালাল। এসময় সহকারী প্রক্টর ড. মো. কামরুল হোসেন, চাকসুর খেলাধুলা ক্রীড়া সম্পাদক মোহাম্মদ শাওনসহ চাকসু ও হল সংসদের অন্যান্য প্রতিনিধিবৃন্দ, শারীরিক শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তাবৃন্দ, অংশগ্রহণকারী দলের টিম ম্যানেজারবৃন্দ, কর্মকর্তা-কর্মচারী, খেলোয়াড়বৃন্দ এবং ক্রীড়াপ্রেমী বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।