শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এই সাক্ষাৎকালে দুই দেশের শ্রমখাত সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।

শ্রম আইনের সাম্প্রতিক সংশোধনে সন্তোষ প্রকাশ করে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত জানান, যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত ১১ দফা এবং আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থানের (আইএলও) কনভেনশনগুলো নতুন আইনে অন্তর্ভুক্ত করায় তিনি সন্তুষ্ট। একই সঙ্গে তিনি বাংলাদেশকে শ্রম আইন সংশোধনের জন্য ধন্যবাদ জানান।
শ্রমমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী সাক্ষাৎকালে জানান, যুক্তরাষ্ট্রের শ্রম সম্পর্কিত ১১ দফার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ‘শ্রম আইন (সংশোধন), ২০২৬’ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। তিনি বলেন, ‘শ্রম খাতের উন্নয়ন এবং শ্রমিকের অধিকার নিশ্চিতকরণে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করার অনেক সুযোগ রয়েছে।’
মন্ত্রী বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল করতে যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতা ভবিষ্যতেও বজায় থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পাদিত বাণিজ্য ও অন্যান্য চুক্তি বাস্তবায়নে নতুন শ্রম আইনের বাস্তবিক প্রয়োগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন। তিনি প্রয়োজনীয় বিধিমালা জারি করে দ্রুত এই আইন কার্যকর করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
জবাবে শ্রমমন্ত্রী বিধিমালা জারির মাধ্যমে দ্রুত আইনটি কার্যকর করার আশ্বাস দেন। একই সঙ্গে তিনি শ্রম অধিকার এবং নিরাপদ ও শোভন কর্মপরিবেশ সম্পর্কে শ্রমিকদের সচেতন করতে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে কারিগরি সহায়তা প্রদানের অনুরোধ জানান।
মার্কিন রাষ্ট্রদূত ট্রেড ইউনিয়ন নিবন্ধন প্রক্রিয়া সহজীকরণ ও আধুনিকায়ন করায় এবং শ্রমিকদের বেতন প্রতি তিন বছরে সমন্বয় করার উদ্যোগ নেওয়ায় শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়কে বিশেষ ধন্যবাদ জানান।
রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও জোরদার হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।’
সাক্ষাৎকালে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব আবদুর রহমান তরফদার, যুগ্ম সচিব আবদুছ সামাদ আল আজাদ, মার্কিন দূতাবাসের কাউন্সিলর এরিক গিলান এবং শ্রম অ্যাটাশে লীনা খান উপস্থিত ছিলেন।












