ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাস্যুরেন্স সেল (আইকিউএসি)-প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির উদ্যোগে ‘অপটিমাইজিং পারফরমেন্স অ্যান্ড ওয়ার্কপ্লেস এফিশিয়েন্সি ফর প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটি সাপোর্ট স্টাফ’ শীর্ষক একটি দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

২৬ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির জিইসি মোড়স্থ ক্যাম্পাসে কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক এস. এম. নছরুল কদির। রিসোর্স পারসন ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাংকিং অ্যান্ড ইন্স্যুরেন্স বিভাগের অধ্যাপক ও রিসার্চ অ্যান্ড পাবলিকেশন সেলের পরিচালক প্রফেসর ড. তানভীর মোহাম্মদ হায়দার আরিফ। উপস্থিত ছিলেন প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির রেজিস্ট্রার জনাব মোহাম্মদ ইফতেখার মনির, আইকিউএসির ডিরেক্টর প্রফেসর ড. সাহীদ মো. আসিফ ইকবাল, অ্যাডিশনাল ডিরেক্টর (কিউএ) জনাব তানজিনা আলম চৌধুরী, অ্যাডিশনাল ডিরেক্টর (ইটিএল) জনাব গাজী শাহাদাৎ হোসেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর জনাব মোহাম্মদ সোলাইমান চৌধুরী। কর্মশালায় মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক এস. এম. নছরুল কদির তাঁর বক্তব্যে বলেন, একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৃত শক্তি শুধু তার শিক্ষক বা অবকাঠামোয় সীমাবদ্ধ নয়; বরং প্রশাসনিক ও সহায়ক কর্মীদের দক্ষতা, সময়ানুবর্তিতা, দায়িত্ববোধ এবং কর্মদক্ষতার উপরই প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক কার্যকারিতা নির্ভর করে। বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে কর্মক্ষেত্রে দক্ষতা বৃদ্ধি, প্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহার এবং সেবার মানোন্নয়ন অত্যন্ত জরুরি। এই ধরনের প্রশিক্ষণ কর্মশালা সহায়ক কর্মীদের পেশাগত সক্ষমতা বৃদ্ধি, কাজের প্রতি দায়বদ্ধতা এবং দলগত সমন্বয়কে সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
তিনি আরও বলেন, প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয় গুণগত শিক্ষার পাশাপাশি প্রশাসনিক উৎকর্ষকেও সমান গুরুত্ব দেয়। কর্মক্ষেত্রে শৃঙ্খলা, সেবার মান এবং সময় ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন ছাড়া কোনো প্রতিষ্ঠান টেকসই উন্নয়নের পথে এগোতে পারে না। আমি বিশ্বাস করি, এই কর্মশালার মাধ্যমে অংশগ্রহণকারী নন-অ্যাকাডেমিক কর্মীরা তাদের দায়িত্ব পালনে আরও দক্ষ, সচেতন ও উদ্ভাবনী হয়ে উঠবেন। ভবিষ্যতেও এ ধরনের প্রশিক্ষণ চলমান থাকবে।
প্রফেসর ড. তানভীর মোহাম্মদ হায়দার আরিফ তাঁর প্রেজেন্টেশনে কর্মক্ষেত্রে দক্ষতা বৃদ্ধি, পেশাগত নৈতিকতা, সময় ব্যবস্থাপনা, টিমওয়ার্ক এবং আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের উপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, কর্মদক্ষতা শুধুমাত্র কাজের পরিমাণ দিয়ে নয়, কাজের মান, সময়নিষ্ঠা এবং দায়িত্বশীল আচরণের মাধ্যমে পরিমাপ করা হয়। একটি প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক কাঠামো যত বেশি দক্ষ হবে, প্রতিষ্ঠান তত দ্রুত তার লক্ষ্য অর্জনে সক্ষম হবে।
তিনি আরও যোগ করেন, সহায়ক কর্মীদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা, যোগাযোগ দক্ষতা এবং নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে কাজ সম্পন্ন করার মানসিকতা গড়ে তোলা অত্যন্ত প্রয়োজন। কর্মক্ষেত্রে ইতিবাচক মনোভাব, পেশাদার আচরণ এবং প্রযুক্তির দক্ষ ব্যবহার কর্মপরিবেশকে আরও গতিশীল ও কার্যকর করে তোলে। এই কর্মশালার মূল লক্ষ্য হচ্ছে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে কর্মদক্ষতা, দায়িত্ববোধ এবং সেবামুখী মানসিকতার উন্নয়ন ঘটানো।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন, বিভিন্ন অনুষদ ও বিভাগের কর্মচারীরা কর্মশালায় সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।












