ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কক্সবাজারের ৪টি আসনে নির্বাচিত হয়েও কোন আনন্দ মিছিল ও সভা না করে দোয়া মাহফিল করেছে বিএনপি।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বাদ জুমা কক্সবাজারে মসজিদে মসজিদে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। আর কক্সবাজার শহরের বাহারছড়া জামে মসজিদে দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার-৩ আসনের ধানের শীষ প্রতীকে জয়ী প্রার্থী লুৎফুর রহমান কাজল।

তিনি জুমার নামাজ আদায়ের পর দোয়া মাহফিলে অংশ নেন। এসময় শহীদ জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। পরে নামাজ শেষে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কোলাকুলি করেন লুৎফুর রহমান কাজল। এসময় স্থানীয় বাসিন্দারা তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।
এসময় লুৎফুর রহমান কাজল বলেন, প্রথম ও প্রধান লক্ষ্য হলো একটি নিরাপদ, মানবিক ও অসাম্প্রদায়িক কক্সবাজার গড়ে তোলা এবং সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন নিশ্চিত করা। কক্সবাজারের পর্যটন শিল্পের টেকসই উন্নয়নের পাশাপাশি স্থানীয় অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ খাত-যেমন মৎস্য ও লবণ শিল্প-এর স্বার্থ সংরক্ষণ ও বিকাশে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। একই সঙ্গে কক্সবাজারকে একটি আধুনিক ও আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় সব উদ্যোগ গ্রহণের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের ক্ষেত্রে জয়-পরাজয় খুব স্বাভাবিক বিষয়। জয় মানেই বড় ব্যবধান নয়, আর পরাজয় মানেই ব্যর্থতা নয়। অনেকেই এক ভোটে জিতেছেন, আবার অনেকেই ছয় ভোটের ব্যবধানেও হেরেছেন-এটাই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। শেষ পর্যন্ত “জয় তো জয়ই” তা কম হোক বা বেশি। আমার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীও ভালো লড়াই করেছেন এবং যথেষ্ট ভালো করেছেন। তাঁর প্রতি আমার সম্মান রইল। এই প্রতিযোগিতা ছিল পারস্পরিক সম্মান ও গণতান্ত্রিক চর্চার অংশ। সবার জন্য শুভকামনা রইল। ভালো-মন্দ মিলিয়েই এগিয়ে যেতে হয়-আমাদের লক্ষ্য হোক ঐক্য, উন্নয়ন ও ইতিবাচক পরিবর্তন বলেও জানান কক্সবাজার ৩ আসনে জয়ী লুৎফুর রহমান কাজল।’
এদিকে কক্সবাজার শহরের পাশাপাশি উখিয়া, টেকনাফ, চকরিয়া, পেকুয়া, রামু, ঈদগাঁও, মহেশখালী, কুতুবদিয়া ও সদরে জুমার নামাজের পর মসজিদে মসজিদে দোয়া মাহফিল করা হয়।












