২০২৪ সালের অভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশ আজ প্রথম জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। অন্যদিকে, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে তরুণদের নেতৃত্বে নেপালে স্বৈরাচারী সরকার উৎখাত হয় এবং দেশটি আগামী মাসে গণতান্ত্রিক নির্বাচন আয়োজন করতে যাচ্ছে।
গণঅভ্যুত্থানের পর এই দু’দেশে জাতীয় নির্বাচন দক্ষিণ এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের সম্পৃক্ততার জন্য নতুন সুযোগ তৈরি বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন কংগ্রেসের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সাবকমিটির চেয়ারম্যান বিল হুইজেঙ্গা।
‘বাংলাদেশ-নেপালের নির্বাচনে দক্ষিণ এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের সম্পৃক্ততার নতুন সুযোগ’
বুধবার (১২) দক্ষিণ এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে অনুষ্ঠিত এক শুনানিতে তিনি ওই মন্তব্য করেন।
শুনানিতে তিনি বলেছেন, রাজনৈতিক রূপান্তরের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে দক্ষিণ এশিয়ার দুই দেশ নেপাল ও বাংলাদেশ।
যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের রিপাবলিকান দলীয় কংগ্রেস সদস্য হুইজেঙ্গা বলেন, ‘ওই দুটি ঘটনাই দক্ষিণ এশিয়ায় সম্পৃক্ততার নতুন অধ্যায়ের সূচনা করছে এবং এসব দেশের নতুন সরকারের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ককে নতুন করে সংজ্ঞায়িত করবে।’
দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াকে গতিশীল অঞ্চল হিসেবে অভিহিত করে তিনি বলেন, এখানকার ক্রমবর্ধমান তরুণ জনগোষ্ঠী চীনের ‘স্বৈরতান্ত্রিক’ বিকল্পের তুলনায় পশ্চিমা সংস্কৃতি ও মূল্যবোধের প্রতি বেশি আকৃষ্ট।
হুইজেঙ্গা বলেন, এই অঞ্চলে প্রায় দুই বিলিয়ন মানুষের বসবাস, গতিশীল অর্থনীতি এবং এমন গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ রয়েছে; যা ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে শক্তির ভারসাম্য নির্ধারণে ভূমিকা রাখে।
তিনি বলেন, পুরো অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সফলভাবে এমন কিছু চুক্তি করেছেন; যা বাজার উন্মুক্ত করেছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক স্বার্থ এগিয়ে নিয়েছে। বর্তমানে আমরা এসব দেশের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা বাড়াবো এবং সেই সংশ্লিষ্টতার ধরন আগামী কয়েক দশক ধরে এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা নির্ধারণ করবে।’












