বিশ্ব জুড়ে তোলপাড় এপস্টেইন ফাইল ঘিরে। সেখানে উঠে এসেছে একের পর এক হেভি ওয়েট ব্যক্তিদের নাম। যাদের বিশ্বজুড়ে আইকন ভাবা হত তারা ডুবে ছিলেন অন্ধকার জগতের মায়াজালে। সেসব ফাঁস হতেই নড়েচড়ে বসেছে বিশ্ব মিডিয়া। এর আঁচ পড়েছে শোবিজ অঙ্গনেও।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক দীর্ঘ পোস্টে কঙ্গনা রানাওয়াত তার মনের ক্ষোভ উগরে দেন। এপস্টেইন ফাইলে বর্ণিত তথ্যগুলোকে বিরক্তিকর আখ্যা দিয়ে তিনি লেখেন, ‘এপস্টেইন ফাইলস সম্পর্কে পড়া এবং জানা সত্যিই খুব যন্ত্রণাদায়ক। অপরাধ সবখানেই ঘটে, কিন্তু এখানে অপরাধকে যেভাবে প্রশ্রয় দেওয়া হয়েছে, তাতে মনে হচ্ছে এটা যেন কোনো ফ্যাশন।’

শৈশবের আইকনদের এমন জঘন্য কর্মকাণ্ডে হতাশ প্রকাশ করে কঙ্গনা বলেন, ‘ছোটবেলা থেকে আমরা যাদের আদর্শ মেনেছি- সেই সব সংগীতশিল্পী, অভিনেতা, রাজনীতিবিদ ও পরিচালকরা কীভাবে অল্পবয়সী নারী ও শিশুদের ওপর নির্যাতন চালাত, তা ভাবলে গা শিউরে ওঠে। বিখ্যাত ও ক্ষমতাশীল ব্যক্তিদের নিয়ে আমার ধারণা পুরোপুরি বদলে গেছে।’
বিশ্বের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করে এই অভিনেত্রী আরও বলেন, ‘আমি খুব হতাশ। ভবিষ্যৎ নিয়ে কোনো আশা খুঁজে পাচ্ছি না। তবে আমি নিশ্চিত, ভারতের কৃষ্টি-কালচার, মূল্যবোধ এবং সনাতন ধর্মই হলো সেই সমাধান, যা আজ সারা বিশ্ব খুঁজছে।’
তার কথায়, ‘আমাদের পুরাণের সুর-অসুর আর দেবতা-রাক্ষসের গল্পগুলো আজ যেন জীবন্ত হয়ে উঠেছে। এখন মানুষকে বেছে নিতে হবে তারা ঈশ্বরের পক্ষে থাকবে নাকি দানবদের।’
কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টেইন সংক্রান্ত ৩০ লাখের বেশি পৃষ্ঠার নথি সম্প্রতি প্রকাশ করে মার্কিন বিচার বিভাগ। এসব নথিতে রয়েছে শত শত ইমেইল, কয়েক হাজার ছবি ও ব্যক্তিগত তথ্য। যার মাধ্যমে ভুক্তভোগীর নাম ও পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব। নথিতে থাকা অন্তত ১০০ জন ভুক্তভোগী বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েন। এসব তথ্য জনসম্মুখে প্রকাশ করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তারা।












