অনূর্ধ্ব-১৯ নারী সাফ: নেপালকে উড়িয়ে বাংলাদেশের তিনে তিন

সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল নিশ্চিত হয়েছে আগেই। আজ রাউন্ড রবিন লিগে নিজেদের শেষ ম্যাচে নেপালকে হারিয়ে টানা তিন ম্যাচেই জয়ের স্বাদ পেলো বাংলাদেশ। এ পর্বের সবগুলো ম্যাচ জিতে ৯ পয়েন্ট নিয়ে সবার উপরে থেকেই ফাইনাল খেলবে লাল-সবুজের মেয়েরা। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় হওয়া ভারতের মুখোমুখি হবে বাটলারের শিষ্যরা।

পোখারা রঙ্গশালা স্টেডিয়ামে ‍বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) রাউন্ড রবিন লিগে নিজেদের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে স্বাগতিক নেপালকে ৪-০ গোলে হারিয়েছে বাংলাদেশ।

এ ম্যাচে বেঞ্চের শক্তি পরখ করেন কোচ পিটার বাটলার। যে কারণে আলপি, শান্তি মার্দি, অর্পিতাদের শুরুর একাদশে রাখা হয়নি। তবুও ম্যাচের শুরুতেই এগিয়ে যায় তারা। তৃতীয় মিনিটে মামনি চাকমার কর্নার কিক থেকে হেডে লক্ষ্যভেদ করেন প্রতিমা মুন্দা।

আক্রমণের ধার বাড়াতে ম্যাচের ৩৪ মিনিটে দুটি পরিবর্তন আনেন কোচ পিটার বাটলার। মীরা খাতুন ও পুর্ণিমা মারমার পরিবর্তে মাঠে নামান শান্তি মার্দি ও আলপিকে। প্রথমার্ধের যোগ করা ব্যবধান দ্বিগুণ করেন আলপি। বক্সের একটু বাইরে থেকে দারুণ ফ্রি কিকে বল জালে জড়ান তিনি।

৬১তম মিনিটে শান্তির চিপ শট গোলকিপারকে ফাঁকি দেয়, পরে গোললাইন থেকে বল ফেরান এক ডিফেন্ডার। তার একটু পরই নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন আলপি। সতীর্থের থ্রু পাস নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আগুয়ান গোলকিপারের পাশ দিয়ে নিচু শটে লক্ষ্যভেদ করেন এই ফরোয়ার্ড।

৮২তম মিনিটে ব্যবধান হয় ৪-০। ডান দিক থেকে আসা বল নেপালের এক ডিফেন্ডারের পা হয়ে চলে যায় আলিজার কাছে, কিন্তু তিনি তালগোল পাকিয়ে ফেলেন। বল ক্লিয়ার করতে শট নিয়েছিলেন আলিজা, কিন্তু শটটা ঠিকঠাক মতো নিতে না পারায় বল যেতে থাকে পোস্টের দিকে। গোলকিপার ঝর্না ডুমরাকোটি গ্লাভস ছোঁয়ালেও তা আটকাতে পারেনি, আর সেই সুযোগটাই কাজে লাগান আলপি।

দ্বিতীয়ার্ধের যোগ করা সময়ে আলপিকে পেছন থেকে টেনে ধরে লাল কার্ড দেখেন মায়া মাসকি।

এ পর্যন্ত অনূর্ধ্ব-১৮, ১৯ ও ২০ ক্যাটাগরি মিলিয়ে ছয়বার মাঠে গড়িয়েছে বয়সভিত্তিক এই প্রতিযোগিতা। বাংলাদেশ চারবার ও ভারত একবার এককভাবে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। ২০২৪ সালের আসরে যৌথভাবে সেরা হয়েছিল বাংলাদেশ ও ভারত।