পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি বলেছেন, “ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে ব্যক্তি নয়, পরিবারের জীবনমানের উন্নয়ন হবে। পরিবারকে যদি আমরা উন্নত করি তাহলে সামাজিক দায়বদ্ধতার মাধ্যমে রাষ্ট্রের যে দায়িত্ব তা পালন করা হবে। নারীর ক্ষমতায়ন, দরিদ্রতা নিরসন ও খাদ্যের নিরাপত্তার মাধ্যমে পরিবারের জীবনমানের সার্বিক উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী এই ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কার্যক্রম চালুর উদ্যোগ নিয়েছেন।”
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল ১০টায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

পার্বত্য মন্ত্রী বলেন, ‘দুর্নীতির সঙ্গে কোনো আপস হবে না। বিএনপি জনগণের সেবক। আমরা আমাদের দায়িত্ব পালনে সচেষ্ট থাকব।’ দলীয় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘এমন কোনো কাজ করা যাবে না, যাতে করে দলের ভাবমুর্তি ক্ষুণ্ন হয়।
এদিন বান্দরবানের লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ১ হাজার ৯৭টি পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হয। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পরিবারের হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেন পার্বত্য মন্ত্রী।
লামা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বান্দরবান জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মিজ্ শামীম আরা রিনি। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান ৩০০ নং আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী এমপি, বান্দরবান জেলা পুলিশ সুপার আবদুর রহমান, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক মিলটন মুহুরী ও লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মঈন উদ্দিন।
অনুষ্ঠানে বান্দরবান জেলা বিএনপির সদস্যসচিব মো. জাবেদ রেজা, জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক ও সাবেক মেয়র মো. আমির হোসেনসহ বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী ও সরকারি-বেসরকারী বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
লামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মঈন উদ্দিন জানিয়েছেন, ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির প্রথম ধাপে লামা উপজেলা ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ২নম্বর ওয়ার্ডের ১ হাজার ২৭৪ পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। পরবর্তী পর্যায়ে যাছাই-বাছাই করে ১ হাজার ৯৭ টি পরিবারকে সুবিধাভোগী হিসেবে চুড়ান্তভাবে কেন্দ্রীয় ফ্যামিলি কার্ড বাছাই কমিটির নিকট প্রেরণ করার মাধ্যমে সুবিধাভোগী হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে।












