সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে টানা ছুটি শুরু হয়েছে। এ সময় স্কুল-কলেজ, অফিস-আদালত থেকে শুরু করে সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। তবে সচল থাকবে বেশকিছু জরুরি সেবা কার্যক্রম।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত হবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোট। ভোটের দিন নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ নিশ্চিত করতে এবং সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে সরকার সারাদেশে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে।

এছাড়া বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) ঘোষণা করা হয়েছে সাধারণ ছুটি। এর সঙ্গে ১৩ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার ও শনিবার) সাপ্তাহিক ছুটি যুক্ত হওয়ায় ছুটি চার দিনে দাঁড়িয়েছে। এতে ভোট দিতে নগরবাসীর অনেকেই ঢাকা ছেড়েছেন। আজও বাড়ি ফিরছেন অনেক।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকের সিদ্ধান্ত মোতাবেক ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরতদের ভোটাধিকার প্রয়োগ ও ভোটগ্রহণের সুবিধার্থে নির্বাহী আদেশে দেশব্যাপী সাধারণ ছুটি বলবৎ থাকবে।
নির্বাচন ও পূজার ছুটি (‘শ্রী শ্রী শিবরাত্রি ব্রত’) মিলিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ছুটি থাকবে টানা পাঁচ দিন। আজ থেকে শুরু হওয়া এই ছুটি চলবে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।
টানা ছুটির আওতায় পড়েছে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানও। বাংলাদেশ ব্যাংকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি বন্ধ থাকবে দেশের সব ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ১৩ ও ১৪ ফেব্রুয়ারির সাপ্তাহিক ছুটি।
অন্যদিকে, নির্বাচন উপলক্ষ্যে ঢাকাসহ সারা দেশের সব দোকানপাট, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ও শপিংমল আজ বুধবার এবং আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বন্ধ থাকবে। দোকান মালিক সমিতির পক্ষ থেকে নির্বাচনকালীন এই ছুটির সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
তবে ছুটি ঘোষিত হলেও জনগণের সুবিধার্থে কিছু বিশেষ ও জরুরি সেবা ছুটির আওতামুক্ত থাকবে।
যেসব জরুরি সেবা ও অফিস খোলা থাকবে
জরুরি সেবা: হাসপাতাল, ফায়ার সার্ভিস, বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি এবং জরুরি টেলিযোগাযোগ সেবা সচল থাকবে।
সংবাদমাধ্যম: সংবাদপত্র, অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর অফিস এবং গণমাধ্যমকর্মীরা এই ছুটির আওতামুক্ত।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী: পুলিশ, আনসার, র্যাব এবং সেনাবাহিনী (নির্বাচনি ডিউটির কারণে নিয়োজিত)।












