চবি ইংরেজি বিভাগের উদ্যােগে “Critical Humanities: Rethinking English studies in Bangladesh” শীর্ষক ন্যাশনাল কনফারেন্স অনুষ্ঠিত

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ইংরেজি বিভাগের উদ্যােগে “Critical Humanities: Rethinking English studies in Bangladesh” শীর্ষক ন্যাশনাল কনফারেন্স ২০২৬ এর উদ্বোধনী সেশন মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় চবি ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার।

বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন চবি মাননীয় উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান, মাননীয় উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) প্রফেসর ড. মোঃ কামাল উদ্দিন ও কলা মানববিদ্যা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. ইকবাল শাহীন খান। কনফারেন্সে কি-নোট স্পিকার হিসেবে বক্তব্য রাখেন নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির হিস্ট্রি এন্ড ফিলোসোফি বিভাগের প্রফেসর ও বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ড. সলিমুল্লাহ খান ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের প্রফেসর মাশহুর শহীদ হোসেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে চবি উপাচার্য প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার সবাইকে স্বাগত জানান। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে একাডেমিক প্রতিষ্ঠান। এটি কোনো রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান নয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজই হলো গবেষণার মাধ্যমে নতুন নতুন জ্ঞান সৃজন করা। আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পর চেষ্টা করেছি একাডেমিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার জন্য। বর্তমানে আমাদের দারুণ একাডেমিক পরিবেশ বিরাজ করছে, প্রায় প্রতিদিনই গবেষণাধর্মী সভা-সেমিনার হচ্ছে। তিনি বলেন, আজকের কনফারেন্স খুবই গুরুত্বপূর্ণ ও সময়োপযোগী। ইংরেজি সাহিত্যের সমৃদ্ধ ইতিহাস রয়েছে। সাহিত্য-সংস্কৃতি চর্চার মাধ্যমে সমাজে আলোকিত মানুষ তৈরি হয়। সাহিত্য হলো সমাজের চালিকাশক্তি। এজন্য দরকার গবেষণা। উপাচার্য শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের গবেষণার প্রতি আগ্রহ বাড়ানোর আহ্বান জানান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চবি উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) প্রফেসর ড. শামীম উদ্দিন খান বলেন, এ কনফারেন্স অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সময়োপযোগী। এজন্য আয়োজকদের আন্তরিক ধন্যবাদ। তিনি বলেন, ক্রিটিকাল থিংকিং আমাদের ভাবতে শেখায়, চিন্তা করতে শেখায়। আমরা কি করবো কি করবো না এটা ক্রিটিকাল থিংকিং এর মাধ্যমে বুঝতে পারি। তিনি সকলকে ধন্যবাদ জানান।
চবি উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) প্রফেসর ড. মোঃ কামাল উদ্দিন বলেন, ক্রিটিকাল থিংকিংয়ের মাধ্যমে জ্ঞান সমৃদ্ধ হয়। আজকের এ কনফারেন্সের মাধ্যমে নতুন নতুন ধারণা উঠে আসবে। সেসব ধারণা সমাজে কাজে আসবে। তিনি সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

দ্বিতীয় সেশনে কি-স্পিকারের বক্তব্যে ড. সলিমুল্লাহ খান ইংরেজি সাহিত্য বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে আলোচনা করেন। তিনি বাংলাদেশে ইংরেজির একাল-সেকাল নিয়ে আলোচনা করেন। চবি ইংরেজি সভাপতি প্রফেসর মাহ-এ-নূর কুদসী ইসলাম এর সভাপতিত্বে কনফারেন্সে সঞ্চালনা করেন বিভাগের প্রভাষক নাফিস জামাল অর্ণব ও আহমেদ জুবায়ের। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন চবি ইংরেজি বিভাগের প্রফেসর ড. মোহাম্মদ রোকন উদ্দীন। অনুষ্ঠানে চবি বিভিন্ন অনুষদের ডিনবৃন্দ, শিক্ষকবৃন্দ, আমন্ত্রিতবৃন্দ ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।