নকআউট পর্বের প্রথম চারটি ম্যাচেই নাটকীয়তা দেখল বিশ্বকাপ। প্রথম দুই ম্যাচ শেষ মুহূর্তের গোলে নিষ্পত্তি হওয়ার পর তৃতীয় ম্যাচে টাইব্রেকারে জার্মানিকে হারিয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করে প্যারাগুয়ে। আর চতুর্থ ম্যাচে নেদারল্যান্ডসকে টাইব্রেকারে ৩-২ গোলে হারিয়ে শেষ ষোলোয় জায়গা করে নেয় মরক্কো।
নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময়ের খেলা ১-১ গোলে সমতায় শেষ হওয়ার পর স্নায়ুচাপের টাইব্রেকারে জয় পায় মরক্কো। ফলে টুর্নামেন্টের অন্যতম আয়োজক নেদারল্যান্ডসকে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিতে হয় হৃদয়ভাঙা পরাজয়ে।

মেক্সিকোর মন্টেরে স্টেডিয়ামে নেদারল্যান্ডস ও মরক্কোর ম্যাচটির পরতে পরতে ছিল রোমাঞ্চ। শুরু থেকেই আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে জমে ওঠে লড়াই। তবে প্রথমার্ধে কোনো দলই গোলের দেখা পায়নি।
৪৪ মিনিটে ক্রিসেন্সিও সামারভিলের পাস থেকে শট নেন ডাচ ডিফেন্ডার মিকি ফন দে ফেন। তবে মরক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনু দুর্দান্ত দক্ষতায় সেই শট ঠেকিয়ে দেন।
প্রথমার্ধের যোগ করা ছয় মিনিটে গোলের সুবর্ণ সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেননি মরক্কোর ইসমাইল সাইবারি। হাকিমির পাস থেকে ছয় গজ দূর থেকে নেওয়া তার শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হলে হতাশায় মাথায় হাত দেন তিনি। গোলশূন্য সমতায় শেষ হয় প্রথমার্ধ।
দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণের ধার আরও বাড়ায় দুই দল। ম্যাচের ৭২ মিনিটে নেদারল্যান্ডসকে এগিয়ে দেন পুত্র হারানোর শোকে থাকা কোডি গাকপো। তবে শেষ পর্যন্ত সেই স্বপ্ন পূরণ হয়নি। অতিরিক্ত সময়ের প্রথম মিনিটে গোল করে ম্যাচে সমতা ফেরে মরক্কো।
৯০ মিনিটের খেলা শেষে অতিরিক্ত সময়ে গড়ায় ম্যাচ। সেখানেও দুই দল দুর্দান্ত খেললেও কেউ গোলের দেখা না পাওয়ায় টাইব্রেকারে গড়ায় খেলা।
সেখানে স্নায়ুর লড়াইয়ে ৩-২ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করে মরক্কো। আর হৃদয়ভাঙা বিদায় নিতে হয় নেদারল্যান্ডসকে।











