পার্বত্য মন্ত্রীর পদত্যাগের প্রতিবাদে রাঙ্গামাটিতে সড়ক অবরোধ

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়েল মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগের ঘোষণা প্রতিবাদে রাঙ্গামাটি-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন বিএনপির দলীয় নেতাকর্মীরা।

সোমবার (১ জুন) দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে লেখা এক চিঠিতে তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্তের পর থেকেই পর দলীয় কার্যালয়ে নেতাকর্মীদের ভিড় বাড়তে থাকে। পরে কাঠালতলী দলীয় কার্যালয়ের সামনের সড়কে বিক্ষোভ করতে থাকায় দুই পারে শতশত যানবাহন আটকে পড়ে। ঘন্টাখানের সড়ক অবরোধের পর সিনিয়র নেতাদের হস্তক্ষেপে পরে সড়ক ছাড়েন দলীয় নেতাকর্মীরা।

এসময় নেতাকর্মীরা স্লোগান দিতে থাকেন ষড়যন্ত্র হয়নি শেষ সজাগ থাকো বাংলাদেশ, জোর করে পদত্যাগ মানি না মানবো না।

নেতাকর্মীরা বলেন, শুধুমাত্র শারীরিক সমস্যায় কারণে পদত্যাগ করেছেন এই কথাটি কোনভাবেই মেনে নেয়ার মতো নয়। নির্বাচনের আগেও ৩১ দফা নিয়ে তিনি পাহাড়ে দুর্গম এলাকায় প্রচারণা করেছেন ও নির্বাচন করেছেন। দেশের সবচেয়ে বেশি ভোট পেয়ে নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি পার্বত্য মন্ত্রণালয়েল মন্ত্রী হয়েছেন। নানা চাপ ও মন্ত্রণালয়ে কাজের স্বাধীনতা ছিল না বলেই তিনি এমন সিন্ধান্ত নিতে পারেন। তবে প্রধানমন্ত্রীর রেইনবো নেশন বাস্তবায়নের জন্য দীপেন দেওয়ানকে পুরনরায় মন্ত্রী পদে বহাল রাখার দাবিও জানান নেতাকর্মীরা।

জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি সাইফুল ইসলাম পনির বলেন, যে অসুস্থতার কথা বলা হচ্ছে সেটি মাত্র অজুহাত। আমরা মনে করি মন্ত্রণালয়ে কাজের ক্ষেত্রে নানা সমস্যা থাকতে পারে। মন্ত্রণালয়ে কাজের যে স্বাধীনতা সেই স্বাধীনতা না থাকায় পদত্যাগ করতে পারেন।

জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি সাইফুল ইসলাম ভুট্টো বলেন, বিএনপির ৩১ দফা ও শহীদ জিয়ার ১৯ দফা বাস্তবায়নের জন্য পাহাড়ে পাহাড়ে ঘুরে বেড়িয়েছেন দীপেন দেওয়ান। ওনার মতো লোক শারীরিক অসুস্থতার কারণে পদত্যাগ করতে পারেন এটা আমরা কেউই মনে করি না। আমাদের মনে হয় অনেক কারণ থাকতে পারে যার কারণে পদত্যাগ করার মতো সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। রাঙামাটির বিএনপির নেতাকর্মী মনে করেন ওনার পদত্যাগের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী যথাযথ সিদ্ধান্ত নিবেন।

সোমবার (১ জুন) সন্ধ্যায় সাড়ে ছটায় সিনিয়র নেতাদের প্রচেষ্টায় সড়ক অবরোধ কর্মসূচি থেকে সরে আসেন নেতাকর্মীরা, তবে দলীয় কার্যালয়ের সামনে অবস্থান করছেন তারা।