টেকনাফ স্থলবন্দর দিয়ে মিয়ানমারে গেল ৬৫ টন আলু

শামসু উদ্দিন, টেকনাফ: কক্সবাজারের টেকনাফ স্থলবন্দর দিয়ে পুনরায় দীর্ঘ ১৩ মাস পর আবারও সচল হতে শুরু করেছে সীমান্ত বাণিজ্য। এরই অংশ হিসেবে ৭ মে (বৃহস্পতিবার) বিকেলে টেকনাফ স্থলবন্দর থেকে মিয়ানমারে ৬৫ মেট্রিক টন আলু রপ্তানি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিকেলে আলুভর্তি একটি কাঠের বোট টেকনাফ স্থলবন্দর থেকে মিয়ানমারের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। সীমান্ত বাণিজ্য বন্ধ হওয়ার পর এই প্রথম বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমারে কোনো নিত্যপণ্য রপ্তানি হলো।
এর আগে গত ১ এপ্রিল আরাকান আর্মি নিয়ন্ত্রিত মিয়ানমারের মংডু এলাকা থেকে একই বোটে করে টেকনাফ স্থলবন্দরে ৯৬৩ পিস চম্পাফুল ও গর্জন কাঠ আমদানি করা হয়েছিল।

টেকনাফ স্থলবন্দরের শুল্ক কর্মকর্তা মাহমুদুর রহমান বলেন, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সম্পন্ন করে সিএন্ডএফ এজেন্ট মেসার্স ফারুক ট্রেডার্সের মাধ্যমে ৬৫ টন আলু মিয়ানমারে রপ্তানি করা হয়েছে। এতে স্থলবন্দরের কার্যক্রম আবার সচল হয়েছে বলে জানান তিনি।

টেকনাফ স্থলবন্দর পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ইউনাইটেড ল্যান্ড পোর্ট লিমিটেডের টেকনাফ শাখার মহাব্যবস্থাপক (হিসাব) মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন চৌধুরী বলেন, সব প্রক্রিয়া শেষে আলুভর্তি বোটটি মিয়ানমারের উদ্দেশে যাত্রা করেছে।

স্থলবন্দরের আমদানিকারক ও রপ্তানিকারক ওমর ফারুক বলেন, সরকারের সহযোগিতায় দীর্ঘ ১৩ মাস পর আবারও সীমান্ত বাণিজ্য শুরু হয়েছে। তবে পুরোপুরি কার্যক্রম চালু করতে ব্যাংকিং জটিলতা দ্রুত সমাধান প্রয়োজন।

উল্লেখ্য, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে চলমান সংঘাতের কারণে গত বছরের এপ্রিল থেকে কার্যত সীমান্ত বাণিজ্য বন্ধ ছিল। আরাকান আর্মি ও মিয়ানমার জান্তা সরকারের বিরোধের জেরে টেকনাফ স্থলবন্দরের কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে।