সংগীতালয় আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সম্পন্ন

সংগীতালয় আয়োজিত সংবর্ধনা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভা ২৬ এপ্রিল সন্ধা সাড়ে ৬ টায় চট্টগ্রাম থিয়েটার ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়|

সভার শুরুতে উপ-মহাদেশের প্রখ্যাত সঙ্গীতগুরু ওস্তাদ নীরদ বরণ বড়ুয়ার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়| সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সুতপা চৌধুরী মুমুর সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপসি&হত ছিলেন ˆদনিক আজাদীর সম্পাদক একুশে পদকপ্রাপ্ত সম্পাদক লায়ন এম.এ.মালেক|বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সরকারি চারুকলা কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক প্রফেসর রীতা দত্ত| এতে সংবর্ধিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট লেখক, গবেষক ও মরমী সাধক মোঃ শাহেদ আলী, রত্নাগর্ভামাতা সমাজসেবী শুকলা চৌধুরী|

অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্পণাচরণ স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ আবু তালেব বেলাল, প্রবর্তক স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মনোজ কুমার দেব, লায়ন বাসুদেব সিংহ| অনুষ্ঠান সঞ্চালনা বাচিকশিল্পী অধ্যাপক দেবাশীষ রুদ্র| উক্ত অনুষ্ঠানে সংগীতালয়ে ৬ জন কৃতি শিক্ষার্থী যথাক্রমে মৃত্তিকা দাশ, সর¯^তী দাশ, শ্রেয়সী চৌধুরী ˆচতি, শ্রীনন্দা মিশেল, অবন্তিকা পাল, ইন্দ্রনীল চক্রবর্তীকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন অতিথিবৃন্দ| সভায় প্রধান অতিথি লায়ন এম.এ.মালেক বলেন আসলে আমি সঙ্গীতে তেমন বেশি সংশ্লিষ্ট না| তবে সঙ্গীত শুনি| সঙ্গীত অনুধাবন করি| আমি নিজেকে একজন সৌভাগ্যবান মনে করি|লতা মঙ্গেসকরের লাইভ কনসার্ট, রবি শংকরের প্রোগাম লন্ডনের রয়েল এলবার্ট হলে, মাইকেল জ্যাকসনের লাইভ শো লন্ডনে, স্টীভ ওয়ান্ডারের লাইভ শো প্রোগামও আমার দেখার সুযোগ এবং সৌভাগ্য হয়েছে| যা উপরিওয়ালার অপার করুণা| অনেকেই আমাকে জিজ্ঞেস করে এখন দেশের কি হবে বা দেশের ভবিষ্যত কি?| এর উত্তরে আমি বলি নিজেকে নিয়ে ভাবুন| আমরা যদি নিজেরা অর্থনৈতিক, শিক্ষা ও সামাজিক প্রতিষ্ঠিত হই তাহলে আমাদের দেশ এগিয়ে যেতে বাধ্য| জীবনে সবকিছুরই একটা লক্ষ্য থাকে| এই পৃথিবীতে এখন অসম্ভব শব্দ বলে কিছু নেই| আমাদের লক্ষ্য থাকতে হবে আমরা কোথায় যেতে চাই| তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন পৃথিবীতে ৩ জন লোক তোমাদের ভালো চায়, তোমাদের এগিয়ে যাওয়ার জন্য প্রার্থনা করে| মা, বাবা ও শিক্ষকই তোমাদেরকে নির্দিষ্ট গন্তব্যে নিয়ে যাওয়ার জন্য আপ্রাণ চেষ্ঠা করেন| এই ৩ মানুষকে শ্রদ্ধা করার মধ্য দিয়ে তোমাদের জীবনের সার্থকতা অন্তনিহিত| মানুষই একমাত্র জীব নিজেকে মানুষ হওয়ার জন্য সংগ্রাম করে| একুশে পদক আমার জীবনের সবচেয়ে বড় সম্মান| এ পদক আমাকে একটা লালসবুজের পতাকা উপহার দিয়েছে| যেদিন আমি এই পৃথিবীতে থাকবনা সেদিন আমার কফিনে লালসবুজের এই পতাকাটিই স্থান পাবে| লালসবুজের পতাকাকে সসম্মানে রেখে আমি যেন আমার গন্তব্যস&হলে পৌঁছতে পারি সেই দোয়াই করবেন|