অবৈধভাবে ব্যটারি রিকশা উচ্ছেদ বন্ধ, একটি অভিন্ন ও সমন্বিত নীতিমালা চুড়ান্ত করে BRTA এর অধীনে ঢাকা, চট্টগ্রাম সহ সারাদেশে ব্যাটারীচালিত যানবাহনের নিবন্ধন, চালকদের লাইসেন্স, রুট পারমিট প্রদান সহ সরকারের ১৮০ দিনের মধ্যে অগ্রাধিকারের ভিত্তিক ৯দফা দাবি বাস্তবায়নে রিকশা ব্যাটারি রিকশা ও ইজিবাইক সংগ্রাম পরিষদ চট্টগ্রাম জেলার সমাবেশ, মিছিল ও জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় বরাবর স্মারকলিপি পেশ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

রোববার (১৯ এপ্রিল) সকাল ১১ টায় চট্টগ্রাম নিউ মার্কেট মোড়ে সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ইজিবাইক সংগ্রাম পরিষদ চট্টগ্রাম জেলা শাখার আহ্বায়ক আল কাদেরী জয়। বক্তব্য রাখেন মহানগরীর ২৪ নং ওয়ার্ডের সভাপতি মো মারুফ হোসেন সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, ২৫ নং ওয়ার্ডের আবু তাহের, জেলা সদস্য সচিব মনির হোসেন, সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট চট্টগ্রাম জেলা আহবায়ক হেলাল উদ্দিন কবির, সদস্য মিরাজ উদ্দিন, ৪০,৪১ নং ওয়ার্ডের মোহাম্মদ মাসুদ, রোকনসহ বিভিন্ন ওয়ার্ড়ের নেতৃবৃন্দ।
সভায় বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রামসহ সারা দেশে শহরের বিভিন্ন এলাকায় অবৈধভাবে ব্যাটারি রিকশা জব্দ করে শ্রমিকদের নানাভাবে হয়রানি করা হচ্ছে। রিকশা আটকের পর প্রায় ১মাস রিকশা আটকে রেখে রেকারবিল সহ ৩২৫০/- অতিরিক্ত জরিমানা আদায় করা হচ্ছে। ফলে রিকশা ড্রাইভারদের আয় রোজগার বন্ধ হয়ে নিঃস্ব হওয়ার উপক্রম হচ্ছে। সরকারের কাছে শ্রমিকদের দীর্ঘদিনের দাবি- লাইসেন্স, নীতিমালা ও রুট পারমিট প্রধান করা। কিন্তু সরকার লাইসেন্স ত দিচ্ছেই না বরং পুলিশি হয়রানির বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না। চট্টগ্রাম শহরের মত গুরুত্বপূর্ণ শহরে যেকোনো জায়গায় যাতায়াতের সহজ মাধ্যমে হল এই ব্যাটারি রিকশা, ও ইজিবাইক। একদিকে যেমন বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী অপরদিকে যাতায়াতের সহজ মাধ্যম হিসাবে এ যানের ব্যবহার অত্যাধিক। তাই শ্রমিকদের এসব দাবিদাওয়া মেনে নিয়ে প্রশাসন কর্তৃক হয়রানি বন্ধ করে রিকশা উচ্ছেদ বন্ধ করতে হবে। এরজন্য প্রয়োজনীয় যান্ত্রিক ডিজাইন যাচাই ও ট্রাফিক আইন সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দিতে BRTA স্বীকৃত লাইসেন্সই একমাত্র সমাধান। BRTA ব্যাটারিচালিত যানবাহনকে একটি নীতিমালার আওতায় নিয়ে আসার জন্য ইতিপূর্বে ২০১৯,২০২২,২০২৪ সালে ২ টি খসড়া নীতিমালা প্রকাশ করেছিল। এর মধ্যে একটি নীতিমালা কার্যকর হয়েছে, আর একটি অপেক্ষায় আছে।সর্বশেষ ২০২৫ সালে আবার নতুন করে “বৈদ্যুতিক থ্রি- হুইলার ব্যবস্থাপনা নীতিমালা ২০২৫” প্রনয়নের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল।এই নীতিমালার উপর সংগ্রাম পরিষদের পক্ষ থেকে অনেকগুলি সংশোধনী, সংযোজনী ও সুপারিশ BRTA চেয়ারম্যান বরাবর স্মারকলিপির মাধ্যমে পেশ করা হয়। আমরা অবিলম্বে সরকারের ১৮০ দিনের মধ্যে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে এই নীতিমালা বাস্তবায়নের মাধ্যমে সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার দাবি জানাচ্ছি।
সমাবেশ শেষে মিছিল করে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক( অতিরিক্ত,রাজস্ব) সাখাওয়াত জামিল সৈকত এর মাধ্যমে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রনালয় বরাবর স্মারকলিপি পেশ করা হয়।












