চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার কদলপুর ইউনিয়নের জয়নগর গ্রামে যুবদল নেতা জানে আলমের বাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। তবে অভিযোগটি অস্বীকার করেছে পুলিশ।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) সকালে সংবাদ সম্মেলনে জানে আলমের স্ত্রী শারমিন আক্তার সুষ্ঠু বিচার ও পরিবারের নিরাপত্তা দাবি করেন।
লিখিত বক্তব্যে তিনি অভিযোগ করেন, শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বিকেলে রাউজান থানা পুলিশের পরিচয়ে একদল লোক তাঁর স্বামীকে খোঁজার অজুহাতে তালাবদ্ধ ঘরের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। সে সময় বাড়িতে কেউ না থাকায় তারা ঘরের আলমিরা ও শোকেস ভেঙে নগদ ৭০ হাজার টাকা, দুই জোড়া স্বর্ণের কানের দুল এবং দুটি স্মার্টফোন নিয়ে যায়। পাশাপাশি আসবাবপত্রও ভাঙচুর করা হয়।
তিনি আরও বলেন, বাড়িতে ফিরে ঘর তছনছ অবস্থায় দেখতে পান এবং নগদ টাকা ও মূল্যবান সামগ্রী খুঁজে না পেয়ে বিষয়টি জানতে চাইলে অভিযুক্তরা কোনো সদুত্তর না দিয়ে চলে যায়। তার দাবি, তাঁর স্বামীকে দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিকভাবে হয়রানি করা হচ্ছে এবং বর্তমানে পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।
এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে পরিবারের সদস্য জোহারা বেগম, আলিয়া আক্তার, ময়ুর আক্তার ও রোকেয়া বেগম উপস্থিত ছিলেন।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সাজেদুল ইসলাম বলেন, পুলিশের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন। তিনি জানান, জানে আলমের বিরুদ্ধে থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। তাকে আটক ও অস্ত্র উদ্ধারের লক্ষ্যে পুলিশ তার বাড়িতে তল্লাশি চালায় এবং স্থানীয় লোকজনকে সাক্ষী রেখে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
তিনি আরও বলেন, ঘর থেকে টাকা-পয়সা বা মূল্যবান সামগ্রী নেওয়ার অভিযোগ সত্য নয় এবং এটি পুলিশকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা।











