শফিউল আলম, রাউজান: রাউজান উপজেলার ১২নং উরকিরচর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড পূর্ব আবুরখীল তালুকদার পাড়া সংঘরাজ বিহারে ১১ মার্চ (বুধবার) ভোর বেলায় দুর্বৃত্তরা আগুন লাগিয়ে দেয়। দুর্বৃত্তের দেওয়া আগুনে বৌদ্ধ বিহারের কিছু অংশ পুড়ে যায়। বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ শ্রদ্ধাপ্রিয় ভিক্ষু বলেন ভোরে আমি আমার শয়ন কক্ষে ঘুমানো অবস্থায় আগুনে পোড়া গন্ধ পাওয়ার পর তড়িঘড়ি ঘুম থেকে উঠে দেখতে পায় বিহারে আগুন জ্বলছে। এসময়ে আমি শোর চিৎকার করে আগুন লেগেছে বলে চিৎকার করতে থাকি। আমার শোর চিৎকার শুনে এলাকার লোকজন এসে আগুন নেভাতে সক্ষম হয়। ঘটনার পর ৯৯৯ এ ফোন করলে রাউজান উপজেলার নোয়াপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির এস আই মামুন ও এ এস আই সানু মং মার্মা এবং স্থানীয় ইউপি সদস্য দিবস বড়ুয়া ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং ঘটনা সর্ম্পকে রাউজান থানাকে অবহিত করেন।

পরে স্থানীয় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আরমান হোসাইন, সাবেক চেয়ারম্যান নসরুল্লাহ চৌধুরী লালু,বাংলাদেশ বুড্ডিস্ট ফাউন্ডেশন এর সভাপতি অঞ্চল কুমার তালুকদার সহ স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ ও গ্রামের গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ পুড়ে যাওয়া বৌদ্ধ বিহার পরিদর্শন করেন। তারা বলেন আবুরখীল একটি বিশাল বৌদ্ধ জনপদ এখানে সবধর্মের মানুষ সম্প্রিতির মাধ্যমে বসবাস করে আসছে।
এই ঘটনা অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক ও দুঃখজনক যা আমাদের ধর্মীয় অনুভূতি ও এলাকার শান্তি-সম্প্রীতির উপর আঘাত হেনেছে।স্থানীয়রা বলেন আমরা এই ঘটনার সাথে জড়িত সকল অপরাধীকে দ্রুত চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদানের জোর দাবি জানাচ্ছি।শান্তপ্রিয় গ্রামবাসী দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিচারের আওতায় আনার জন্য প্রশাসন সহ সংসদ সদস্য গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।ভবিষ্যতে যেন আবুরখীলসহ কোথাও কোন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উপর এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ও ন্যাক্কারজনক ঘটনা আর না ঘটে, সে জন্য কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি অনুরোধ জানান।
এদিকে বৌদ্ধ বিহার পরিচালনা কমিটির সভাপতি অজয় বিকাশ বড়ুয়া বলেন আমরা ঘটনার বিষয়ে রাউজান থানায় অভিযোগ দিয়েছি।












