ঈদগাঁওয়ে রাক্ষুসে ডেভলাপার কোম্পানির দোকান দখলের নয়া ফাঁদ!

সেলিম উদ্দিন, ঈদগাঁও, কক্সবাজার: কক্সবাজারের ঈদগাঁওয়ে রাক্ষুসে ডেভলাপার কোম্পানির নাটকীয় সংবাদ সম্মেলনের জোর প্রতিবাদ জানিয়েছেন ভুক্তভোগী চনামুড়ি ব্যবসায়ী মোঃ জয়নাল আবেদীন। তিনি দোকান দখল নিতে এটি ডেভলাপারের নয়া ফাঁদ বলে দাবী করেন।

তিনি বলেন, গত ১১ ফেব্রুয়ারি পেইজবুকসহ একাধিক অনলাইনে “ঈদগাঁও বাজারে ভাড়াটিয়ার বিরুদ্ধে দোকান দখলের অভিযোগ, প্রাণনাশের হুমকির দাবি মালিক পক্ষের” শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদ ডাহা মিথ্যা, বানোয়াট ও ষড়যন্ত্র ছাড়া আর কিছুই নই।

তিনি উল্লেখ করেন, আমি জয়নাল আবেদীন,পিতা মৃত নুর মোহাম্মদ, সাং ঈদগাঁও জাগিরপাড়া। দীর্ঘ ৫ দশক ধরে ঈদগাঁও বাজারস্থ গফুর সিটি সেন্টার সংলগ্ন চনামুড়ির ব্যবসা করে আসছিলেন বাবা নুর আহমদ। বাবা মৃত্যুর পর থেকে এ প্রতিষ্টান নিয়ে আমি কোন রকম সংসার জীবন চালিয়ে আসলেও ঐ জমি ও দোকানের ওপর লোলুপ দৃষ্টি পড়ে কথিত রাক্ষুসে ডেভলাপার কোম্পানির। তারা আশে- পাশের জমি নামে-বেনামে ক্রয় করে ফাঁদ বসিয়েছে আমার দোকান ঘর দখলে নেয়ার। ২৪ গনঅভ্যুত্থানেের পর রাক্ষুসে ডেভলপার কোম্পানির সাথে কবিরাজের ভাইপুত্র বধু স্বপ্না ভট্টাচার্যের যোগসাজশে মিথ্যা বানোয়াট কাগজ সৃজন করে আমার দোকানটি দখলে নিতে নানা ছলচাতুরী শুরু করেন।

তারই ধারাবাহিকতায় স্বপ্না ভট্টাচার্য নিজেকে ঐ জমির কথিত মালিক সেঁজে রাক্ষুসে ডেভলপার কোম্পানিকে ঢাল হিসাবে ব্যবহার করে আমার বিরুদ্ধে সংবাদপত্র ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কুৎসা রটাচ্ছে। অথচ এহেন কর্মকান্ডে আমি কোন সময় জড়িত কিংবা সম্পৃক্ত নই।

স্বপ্না ভট্টাচার্য অহেতুক মিথ্যাচার করে তিলকে তাল বানিয়ে ডেভলাপারকে ব্যবহার করে আমার ব্যবসার সুনাম নষ্ট ও দখলের পায়তারা করছে। তার সাথে আমার কোন চুক্তি বা ভাড়াটিয়া লেনদেন নেই বা ছিল না।

অথচ এ দোকানের নামে দীর্ঘ অর্ধ যুগেরও বেশি সময় ধরে খাজনা- দাখিলা আদায়, জালালাবাদ ইউপির ট্রেড লাইসেন্সসহ যাবতীয় কাগজপত্র রয়েছে। এমনকি তাদের হয়রানি থেকে বাঁচতে বিজ্ঞ সিনিয়র ম্যাজিস্ট্রেট আদালত কক্সবাজারে ডেভলাপার কোম্পানির প্রতিনিধিসহ ১০ জনের নামে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বর্তমানে মামলাটি বিচারাধীন।

আমি প্রকাশিত ডাহা মিথ্যা সংবাদের জোর প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং পুলিশসহ স্থানীয় প্রশাসনকে বিষয়টি খতিয়ে দেখার অনুরোধ করছি।