তৃতীয় চেষ্টায় আফগানিস্তানকে হারাল দ. আফ্রিকা

রাবাদার করা শেষ ওভারে আফগানিস্তানের জয়ের জন্য দরকা ১৩ রান। নো আর ওয়াইডে কোনো বৈধ ডেলিভারির আগেই দুই রান দিলেন প্রোটিয়াদের সেরা বোলার। এরপর দ্বিতীয় বৈধ ডেলিভারিতেই ছক্কা হাঁকিয়ে সমীকরণ ৪ বলে ৫ রানে নামিয়ে আনলেন নূর আহমেদ। চতুর্থ বলে আবার নো বল আর সঙ্গে দৌড়ে ডাবল–জয়ের জন্য ৩ বলে দরাকার আর মাত্র ২ রান। কিন্তু পাগলাটে ডাবল নিতে গিয়ে ফজলহক ফারুকি। ম্যাচ টাই! এরপর সুপার ওভারে ওমরজাই তুললেন ১৭ রান, কিন্তু ফলাফল–আবার টাই!

বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) আহমেদাবাদে গ্রুপ ডি’র ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকা-আফগানিস্তান উপহার দিল আসরের সেরা ম্যাচ। নির্ধারিত ওভারের খেলা টাই হলে ম্যাচ গড়ালো সুপার ওভারে। আফগানিস্তান সুপার ওভারে আগে ব্যাট করে টার্গেট দিল ১৭ রান। কিন্তু শেষ বলে ছক্কা মেরে দক্ষিণ আফ্রিকাও থামল ১৭ রানে। অর্থাৎ সুপার ওভারও টাই! ফের সুপার ওভার।

দ্বিতীয় সুপার ওভারে দক্ষিণ আফ্রিকা ২৩ রান টার্গেট দেয়। প্রথম বলে ডট দেয়ার পর দ্বিতীয় বলে আউট হয়ে যান মোহাম্মদ নবি। ফলে জয়ের জন্য শেষ চার বলেই ছক্কা দরকার ছিল আফগানিস্তানের। রহমানউল্লাহ গুরবাজ কেশভ মহারাজকে টানা তিন ছক্কা মেরে ম্যাচ জমিয়ে তোলেন। শেষ বলে দরকার ছিল আর একটি ছক্কা। এমন সময় মহারাজ ওয়াইড দিলে ফের বাউন্ডারি মারলেই তৃতীয় সুপার ওভারে গড়াত ম্যাচ। কিন্তু শেষ বলটায় পয়েন্ট ধরা পড়লেন গুরবাজ। সুপার ওভারে ৪ রানে জয় দক্ষিণ আফ্রিকার।

এর আগে টস জিতে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়েছিল আফগানিস্তান। আগে ব্যাট করতে নেমে কুইন্টন ডি কক ও রায়ান রিকেলটনের অর্ধশতকে ভর করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৮৭ রান সংগ্রহ করে প্রোটিয়ারা।

জবাবে জয়ের জন্য শেষ ৩ বলে ২ রান লাগে এমন সমীকরণে দাঁড়িয়ে ডাবল নিতে গিয়ে রানআউট হয়ে যান ফজলহক ফারুকি। ১৯.৪ ওভারে ১৮৭ রানে অলআউট হয় আফগানিস্তান।