আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ৩২ পৃষ্ঠার ইশতেহার ঘোষণা করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। ইশতেহারের নামকরণ করা হয়েছে ‘জনপ্রত্যাশার ইশতেহার’।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর পুরানা পল্টনে ইশতেহার ঘোষণা করা হয়।

মৌলিক ইশতেহারে বলা হয়, দেশের স্থায়ী শান্তি ও মানবতার সার্বিক মুক্তির লক্ষ্যে রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন করা হবে। দুর্নীতি, দুঃশাসন, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, দখলবাজি, মাদকমুক্ত কল্যাণরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা হবে। সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সুশাসন ও ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা ও রাষ্ট্রপরিচালনায় সর্বত্র শরীয়াহ’র প্রধান্য পাবে। কৃষি ও শিল্পবিপ্লব ঘটিয়ে বেকার ও দারিদ্র্যমুক্ত এবং অর্থনৈতিক সমৃদ্ধশালী দেশ গঠন করা হবে।
ইশতেহারে বলা হয়, আর্থিক, সামরিক ও কূটনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করা হবে। সেইসঙ্গে নারী, শ্রমিক ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অধিকারসহ সকল জনগোষ্ঠীর মৌলিক ও মানবাধিকারের সুরক্ষা পাবে। ধর্মীয় স্বাধীনতা, নিরাপত্তা ও পারস্পরিক সহাবস্থান থাকবে এবং শুধু দুর্নীতি-সন্ত্রাস দমন নয়; নির্মূলকরণ কর্মসূচিও গ্রহণ করা হবে।
ইসলামী আন্দোলনের ইশতেহারে বলা হয়, শুধু আইনের শাসন নয়; ন্যায়ের শাসন প্রতিষ্ঠা করা হবে। জনমতের যথার্থ প্রতিফলন, সুষ্ঠু নির্বাচন ও কার্যকর সংসদ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে পিআর (Proportional Represenation) পদ্ধতি বাস্তবায়ন করা হবে। সেইসঙ্গে দুর্নীতি, সন্ত্রাস, খুন ও অনৈতিক পেশার সাথে জড়িতদের রাজনীতিতে নিষিদ্ধ করা হবে।
ইশতেহার ঘোষণাকালে দলটির আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীমসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।












