নির্বাচনে বিঘ্ন ঘটাতে দেব না : আলী ইমাম মজুমদার

খাদ্য ও ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার বলেছেন, নির্বাচনে বিঘ্ন ঘটাতে আমরা দেব না। পুলিশের পাশাপাশি সিভিল পাওয়ার আর্মি থাকবে। সঙ্গে বিজিবি ও আনসার থাকবে। তারা নির্বাচনে কোনো বিঘ্ন ঘটাতে দেবে না।

তিনি বলেন, নির্বাচনে বিঘ্ন ঘটাতে চাইলে তাদের বিরুদ্ধে আগে থেকেই প্রতিরোধকমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। চিহ্নিত কোনো অপরাধী থাকলে পুলিশ আগেই তাকে ধরবে।

বুধবার (২১ জানুয়ারি) বিকেল ৪টায় কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে জেলা প্রশাসক মো. ইকবাল হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

আলী ইমাম মজুমদার বলেন, নির্বাচনে ভয়-ভীতির ঊর্ধ্বে থেকে সবাই যেন অংশগ্রহণ করতে পারেন তার জন্য স্থানীয় প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি। তারা আমাকে কথা দিয়েছে, তাই হবে। সেইসঙ্গে গণভোটেও সবাই যেন অংশগ্রহণ করেন এবং ভোট দেন।

তিনি বলেন, বিভিন্ন উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকায় এখনো অনেকে জানে না গণভোট কি। তাদের জানানোর জন্যই আজকে আমাদের এই মতবিনিময় সভা। মসজিদের ইমাম, শিক্ষকদের নিয়ে আজকে আমরা এই প্রচেষ্টা করছি। সঙ্গে আপনারা গণমাধ্যম কর্মীদেরও দরকার আছে।

চাল আমদানির বিষয়ে খাদ্য উপদেষ্টা বলেন, সরকারি পর্যায়ে চাল আমদানি করা হচ্ছে। ৬ লাখ টন চাল আমদানির অনুমোদন করা হয়েছে। বেসরকারি পর্যায়ে আমরা এই পর্যন্ত ২ লাখ টন আনার জন্য সম্মতিপত্র দিয়েছি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে। এখনো কেউ এলসি করেছে বলে আমি জানি না। আর এতে প্রভাব যেটা হয়েছে এর প্রভাবটা অনুকূলে হবে। উৎপাদনকারী যারা আছে তাদের সহায়তা দেওয়ার জন্য আমরা ব্যবস্থা করেছি।

তিনি আরও বলেন, আমাদের স্মরণকালের সবচেয়ে বেশি সরকারি স্টক আছে। আমাদের স্টক ২১ লাখ টনের ওপরে আছে। আশা করছি কোনো ধরনের সংকট হবে না। ভালোভাবে খাদ্য পরিচালনার ব্যবস্থা করা যাবে।

চালের দাম বাড়ার বিষয় তিনি বলেন, আমাদের মিলারদের সঙ্গে এই নিয়েই কথা হয়েছে। তারা বলেছে দুই টাকা পর্যন্ত বেড়েছিল। আগামী দু-চার দিনের ভেতরে এটা নেমে যাবে। আর বাজারে যদি ডিমান্ড সাপ্লাই ঠিক থাকে। সাপ্লাই লাইন যেন সমৃদ্ধ হয় তাহলে বাজার নিয়ন্ত্রণ থাকবে। দরিদ্র ভোক্তা পর্যায়ে সরকারি খাদ্য কর্মসূচি আওতায় কয়েক দিনের মধ্যেই প্রতিটি উপজেলায় প্রতিদিন ওএমএস চালু হবে।

এ সময় জেলা প্রশাসক মো. ইকবাল হোসেন, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসীম উদ্দিনসহ জেলা ও উপজেলার সরকারী কর্মকর্তা ও জেলার বিভিন্ন মসজিদের ইমাম ও শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।