মোঃ নজরুল ইসলাম লাভলু, কাপ্তাই (রাঙামাটি): সারাদেশের ন্যায় কাপ্তাইয়ের পাহাড়ী এলাকার ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে মৃদু শৈত প্রবাহ। শৈতপ্রবাহের কারণে উপজেলার নিম্ম আয়ের মানুষজন বেশি ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। এসব মানুষ শীতের কারণে ঘর থেকে বের হতে পারছে না। ফলে কর্মহীন অবস্থায় তারা দিনযাপন করছে। এতে পারিবারিক জীবন স্থবির হয়ে পড়েছে। আয় রোজগার কমে যাওয়ায় আর্থিক অনটনে দিনাতিপাত করছে নিম্ম আয়ের এসব মানুষ।
এদিকে শীতের প্রকোপে এলাকায় ঠান্ডাজনিত রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে শিশু এবং বয়ো-বৃদ্ধরা ঠান্ডা জনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। হাসপাতালে ঠান্ডজনিত রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

কাপ্তাইয়ের বিভিন্ন পাহাড়ী এলাকায় ও হাটবাজারে গিয়ে দেখা যায়, নিম্ম আয়ের মানুষজন শীত নিবারণ করতে হিমশিম খাচ্ছে। পথে ঘাটে অনেকে আগুন ধরিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছে। শীতের কারণে মানুষ ঘর থেকেই বের হতে পারছেনা, ফলে রাস্তাঘাটে তেমন লোকজনের উপস্থিতিও দেখা যাচ্ছে না। বিভিন্ন হাটবাজারে গিয়ে দেখা যায়, ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন মালামাল নিয়ে বসে থাকলেও ক্রেতাদের দেখা মিলছে না।
এবিষয়ে শীলছড়ির বাসিন্দা এনামুল হক বাচ্চু সহ কয়েকজন বাসিন্দা জানান, দীর্ঘ ১৫ বছরেও কাপ্তাইয়ে এধরণের ঠান্ডা পড়তে দেখিনি। বর্তমানে তীব্র শীতে নিম্ম আয়ের মানুষজনের মধ্যে দুরাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। দোকানে বেচা বিক্রিও কমে গেছে। ক্রেতাদের দেখা নেই বললেই চলে। এমন পরিস্থিতিতে বিত্তবানদের এলাকার নিম্ম আয়ের মানুষজনের পাশে দাঁড়ানোর আহবান জানিয়েছেন তারা।
কাপ্তাই আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ ওমর ফারুক রনি জানান, তীব্র শীতে ছোট শিশু এবং বয়োবৃদ্ধ ব্যক্তিদের সাবধানতা অবলম্বন করা জরুরী। বর্তমানে শিশুদের নিউমোনিয়া সহ ঠান্ডাজনিত রোগ বেশি দেখা দিয়েছে। তাই খুব প্রয়োজন না হলে শিশু এবং বয়োবৃদ্ধদের ঘর থেকে বের না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। এধরনের ঠান্ডাজনিত রোগের উপসর্গ দেখা দিলে কালক্ষেপন না করে দ্রুত ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি।












