হাতি খায় এমন ফলগাছ বাড়ির আঙিনায় লাগাবেন না

মোঃ নজরুল ইসলাম লাভলু, কাপ্তাই (রাঙামাটি)।
হাতি খায় এমন কোন পছন্দনীয় খাবার বাড়ির আশপাশের এলাকায় লাগাবেন না। ওরা খায়না এমন খাদ্য লাগাবেন।এতে করে হাতি লোকালয়ে এসে আপনাদের ক্ষতি করবেনা বা আসবেনা। বন্যহাতি লোকালয়ে এসে তান্ডব চালিয়ে ক্ষতি সাধন করার বিষয়ে বনবিভাগ ও স্থানীয় মানুষ এর দায় এড়াতে পারে না। কারন এর পিছনে কোন না কোন কারনে আমরাই দায়ী। বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) বেলা ১১টায় রাঙামাটি দক্ষিণ বন বিভাগের আওতাধীন কাপ্তাই রেঞ্জে এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিম (ইআরটি) সদস্যদের উদ্দেশ্যে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পার্বত্য চট্টগ্রামের বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ অঞ্চলের বন সংরক্ষক মো.ছানা উল্যাহ পাঠওয়ারী এসব কথা বলেন। তিনি ইআরটিকে উদ্দেশ্য করে আরও বলেন, বিদেশি প্রেসক্রিপশন দিয়ে বন চলেনা। এক সময় এটা চলত এখন আর নয়। বন্যপ্রাণী বাঁচলে বন বাঁচবে বন বাঁচলে আমরা বাঁচব। হাতিকে বনের ইঞ্জিনিয়ার বলা হয়ে থাকে। সৃষ্টিকর্তা একেক প্রাণীকে একেক মেধা দিয়ে সৃষ্টি করেছে। দীর্ঘ ১০-১৫ বছরেও লোকালয়ে বন্যহাতির দেখা মিলেনি। কিন্তু আমরা বন ধ্বংস করে ওদের খাদ্য বিনষ্ট করার ফলে হাতি এখন লোকালয়ে হানা দিচ্ছে। এবং তান্ডব চালাচ্ছে। ফলে জানমালের ক্ষতি সাধিত হচ্ছে। আসুন আমরা বন্যপ্রাণী রক্ষা করি, নিরাপদে থাকি। এতে করে সকলে সচেতন হতে হবে। এসময় সহকারী বন সংরক্ষক আবু কাউসার, বড়ইছড়ি স্টেশন ও পরীক্ষা ফাঁড়ীর কর্মকর্তা এএসএম মহিউদ্দিন চৌধুরী, রাজস্থলী রেঞ্জ কর্মকর্তা তুহিনুল হক, রাম পাহাড় বিট কর্মকর্তা মিঠু তালুকদার, ইআরটি টিম সভাপতি কবির হোসেন, সহ-সভাপতি আয়ুব আলী, সদস্য মো.ইকবাল, একরাম, আবু বক্করসহ প্রায় ২০ জন ইআরটি সদস্য মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন।