প্রেস রিলিজ:: চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা যুবদলের সদস্য এম কপিল উদ্দীন ও বোয়ালখালী উপজেলা যুবদল ছাত্রদলের ৮ জন নেতাকর্মীর নামে যুবলীগ নেতা বাদী হয়ে বোয়ালখালী থানায় মিথ্যা মামলা দায়ের করার ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন দক্ষিণ জেলা বিএনপি নেতৃবৃন্দ। দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক আবু সুফিয়ান, সিঃ যুগ্ম আহবায়ক আলী আব্বাস ও সদস্য সচিব মোস্তাক আহমেদ খান আজ ১৪ মে বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে বলেন, ভোট চুরি করে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা বোয়ালখালীকে সন্ত্রাসের জনপদে পরিনত করেছে। তারা সেখানে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে। নির্বাচনের সময় তারা বোয়ালখালীতে বিএনপির নেতাকর্মীদের ঘরে ঘরে গিয়ে হুমকি দিয়েছে। হামলা করে আহত করেছে। তাদের অত্যাচারে বিএনপির নেতাকর্মীরা দীর্ঘদিন ধরে এলাকা ছাড়া। অথচ তাদের বিরুদ্ধে আবার মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ করে হয়রানি করা হচ্ছে। এই ভয়াবহ দুর্দিনেও ক্ষমতাসীনরা বোয়ালখালীকে মগেরমুল্লুকে পরিনত করেছে।
নেতৃবৃন্দ বলেন, যারা সমালোচনা করছেন তারা সরকারীদলের রোষানলের শিকার হচ্ছেন। এই ক্রান্তিলগ্নেও এই সরকারের ফ্যাসিজম ও স্বেচ্ছাচারিতা বিন্দু পরিমাণ কমেনি। করোনার এই দূর্যোগকালেও বিএনপি নেতাকর্মীরা মামলা থেকে রেহায় পাচ্ছে না। আজকে সত্য কথা বলার অপরাধে সাংবাদিকদের পিঠমোড়া করে গ্রেফতার করে নিয়ে যাচ্ছে।
নেতৃবৃন্দ বলেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব থেকে শুরু করে সারাদেশে সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা গত একযুগ ধরে ক্ষমতাসীনদের জেল জুলুম হয়রানি ও নির্যাতন নিপীড়নের শিকার। তারপরও জাতির এই সংকটময় মুহূর্তে জনগণের দল হিসেবে বিএনপি বসে নেই। বোয়ালখালীতে বিএনপির পক্ষ থেকে অসহায় হতদরিদ্র কর্মহীন মানুষকে বিপুল পরিমাণ খাদ্যসামগ্রী বিতরন করা হয়েছে। তবে জনবিচ্ছিন্ন সরকার বিএনপির এই ইতিবাচক কাজ সহ্য করতে পারছেনা। তাই তারা বিএনপি নেতাকর্মীদের হয়রানী করতে এবং ত্রাণ বিতরনে বাধা দিতে এই মিথ্যা মামলার আশ্রয় নিয়েছে। নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে এই হয়রানী মূলক মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবী জানান।











