তিনি বলেন, দেশে এখন কি পরিমাণ যে বাটপারি চলছে তা বলে শেষ করা যাবে না। একদিকে শ্রমিকরা বেতনের দাবিতে বিক্ষোভ করছে, অপরদিকে সরকার তাদের জীবন ঝুকিতে ফেলছে। ১৬ এপ্রিল স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে ঘোষণা করা হলো সারা দেশ বিপদজনক, আর ২৫/২৬ এপ্রিল সব গার্মেন্ট খুলে দেয়া হলো। তাহলে কেন শুধু শুধু এসব শ্রমিকদের নিয়ে খেলা হচ্ছে। এরা তো দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখছে। তাদের নিরাপদ রাখলে দেশ নিরাপদ থাকবে। অথচ সরকার এ শ্রমিকদের জীবন নিয়ে ছিনি মিনি খেলছে। মালিকরা ঠিকই নিরাপদে অবস্থানে থেকে প্রণোদনা পাচ্ছে। কিন্তু শ্রমিকরা বেতন পাচ্ছে না, অনেক কারখানায় শ্রমিকদের ছাটাইও করা হচ্ছে। বর্তমান দেশের দূর্যোগকালীন সময়ে কে শ্রমিক, কে মালিক, কে ধনী, কে গরিব কোন মানুষ কোন দল করে তা বিবেচনা না করার সময় না। মানুষ হিসাবে মানুষের পাশে দাড়ানো সামর্থবান যারা আছে তাদের কর্তব্য। করোনা দূর্যোগের শুরু থেকে সারাদেশে বিএনপির নেতাকর্মীরা ব্যক্তিগত ও দলীয়ভাবে অসহায় মানুষদের পাশে দাড়াচ্ছে। অপরদিকে তিন বার ভোট চুরি করে ক্ষমতায় আসা আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা সারাদেশে গরীব অসহায় মানুষের জন্য বরাদ্দকৃত চাল ডালসহ ত্রাণ সামগ্রী অত্মসাত করছে। তারা কফিনের কাপড় পেলেও সেটা পর্যন্ত চুরি করবে বলে তাদের নেত্রী মন্তব্য করেছেন, সে দলের কাছ থেকে ভাল কিছু জাতি আশা করে না।
এসময় চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সহ-গ্রাম বিষয়ক সম্পাদক সালাহউদ্দীন লাতু, সদস্য আলমগীর আলী, দেওয়ান বাজার ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি খন্দকার নুরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক ছাব্বির আহমদ, যুবদল নেতা মো. নওশাদ, কোতোয়ালী থানা বিএনপির প্রচার সম্পাদক মো. রিয়াদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।











