কুতুবদিয়ায় আকস্বিক অগ্নিকান্ডে ১২ দোকান পুড়ে ছাই

লিটন কুতুবী, কুতুবদিয়া কক্সবাজার।
মশার কয়েল থেকে উৎপত্তি আগুনে কুতুবদিয়া দ্বীপের সদর বড়ঘোপ ইউনিয়নের বিদ্যুৎ মার্কেট এলাকায় ১২টি দোকান পুড়ে ছাই হয়েছে। শনিবার দিবাগত রাত ০৩টায় আগুনের উৎপাত শুরু হলে নিয়ন্ত্রণে আনতে দুই ঘন্টা সময় লেগে যায়। অর্থাৎ ভোর ৫টায় এলাকাবাসীর সহযোগিতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। ঐ সময়ে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনার চেষ্টার সময় আহত হয় সুমন দাশ প্রকাশ বদন, খোরশেদ আলম, মোহাম্মদ ছৈয়দ নুর সওদাগর, ইলিয়াছ সওদাগর। তাদেরকে কুতুবদিয়া হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী জসিম সওদাগর জানান, ঐদিন যথারীতি দোকান মালিকগণ শনিবার (০২ মার্চ) রাতে দোকান বন্ধ করে বাড়িতে চলে যায়। রাত ০৩টায় এস.আর ফার্মেসীর পিছনে আগুন দেখা যায়। ০৫/১০ মিনিটের মধ্যে পার্শ্বের অন্যান্য দোকানে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে আনতে ১২টি দোকান ঘর মালামালসহ পুড়ে যায়। আগুনে পুড়ে যাওয়া দোকানের মধ্যে ডাক্তার শংকরের, এসআর ফার্মেসীর নগদ দুই লাখ টাকাসহ প্রায় ১০ লাখ টাকার ঔষধ ও মালামাল পুড়ে যায়। প্রদীপ দাশের কম্পিউটার,মুদি, বিকাশ দোকানের প্রায় ২লাখ টাকার মালামাল পুড়ে যায়। জামাল উদ্দিন প্রকাশ বদ এর মুদির দোকানের প্রায় ৬০ হাজার টাকার মালামাল, খোরশেদ আলমের চায়ের দোকানের মালামাল ৬০ হাজার টাকা, ইমাম হোসেনের ইমাম ফার্মেসীর প্রায় দেড় লাখ টাকার ঔষধ ও মালামাল, টিটু দাশের সেলুনের প্রায় এক লাখ টাকার মালামাল, রেজাউল করিমের চা’য়ের দোকানের ৫০ হাজার টাকার মালামাল, ছৈয়দ নুর সওদাগারের ধানের আড়ৎ প্রায় এক লাখ টাকার ধান ও চাল, কলিম উল্লাহর চায়ের দোকানের ৫০ হাজার টাকার মালামাল, সুভাষ সওদাগরের মুদির দোকানের এক লাখ টাকার মালামাল, ওবাইদুল হোসেনের চায়ের দোকানের ৫০ হাজার টাকার মালামাল, আবদুল কাদেরের বিকাশ ও চায়ের দোকানের ৫০ হাজার টাকার মালামাল পুড়ে যায়।

আগুনে পুড়ে যাওয়া ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা ইউএনও দীপক কুমার রায়, ওসি মোহাম্মদ দিদারুল ফেরদাউস, আওয়ামীলীগ নেতা কর্মীরা পরিদর্শন করেন। ইউএনও ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরী করে জেলা প্রশাসক, কক্সবাজার বরাবরে পাঠিয়েছেন বলে নিশ্চিত করেন।