দেশজুড়ে আলোচিত ফায়ার হাইড্রেন্ট ইতিমধ্যে চট্টগ্রামে বসে গেছে

নিউজচিটাগাং::দেশজুড়ে আলোচিত ফায়ার হাইড্রেন্ট ইতিমধ্যে চট্টগ্রামে বসে গেছে। উন্নত বিশ্বের আদলে অগ্নিকান্ড মোকাবিলায় দ্রুত পানি সরবরাহ করতে চট্টগ্রাম ওয়াসা এবং ফায়ার সার্ভিসের উদ্যোগে চট্টগ্রাম নগরের ৪১টি পয়েন্টে ফায়ার হাইড্রেন্ট স্থাপন করা হয়েছে। সারা শহর জুড়ে প্রধান সড়ক পয়েন্টে আরো ১০০টির উপরে এসব অটোমেটিক আগুন নেভানোর পানির ব্যবস্থাপনা বসানোর কাজ চলমান। চট্টগ্রাম ওয়াসা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে অচিরেই এ পকল্পের কাজ শেষ হবে চট্টগ্রামের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে এসব চোখে পড়ছে।

উল্লেখ্য দেশে গড়ে প্রায় আট হাজার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। আর এসব ঘটনায় আর্থিক ক্ষতির পরিমাণই গড়ে প্রায় সাড়ে ৩শ’ কোটি টাকার বেশি। এছাড়াও ঝরে যায় অসংখ্য মূল্যবান জীবন। ফায়ার সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, সারাবছর যে অগ্নিকান্ড হয়, তার অর্ধেকেরও বেশি ঘটে বছরের প্রথম ৪ মাসে অর্থাৎ শীতকালে। ফায়ার সার্ভিসের হিসেব বলছে, ২০১৩ ও ১৪ সালে সারাদেশে প্রায় ১৬ হাজার অগ্নিকাণ্ডের বিপরীতে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ সাড়ে ৭শ কোটি টাকারও বেশি। এসব ঘটনায় মারা গেছেন ১৩৬ জন, আহত হয়েছেন সাড়ে তিনশোরও বেশি মানুষ। সর্ব শেষ ঢাকার চকবাজারে ৭৮ মানুষ নিহত হয়েছে।

সম্প্রতি পুরান ঢাকার অগ্নিকান্ডের পর এ প্রযুক্তিটি নিয়ে বেশ আলোচনা হচ্ছে। অসুন ফায়ার হাইড্রেন্ট সম্পর্কে জেনে নেই-

উন্নত বিশ্বের উদাহরণ
উন্নত বিশ্বে বেশ কিছু যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে অগ্নিকাণ্ড নিয়ন্ত্রণ ও প্রাণহানী এখন অনেক কমে গিয়েছে। যদিও আমাদের দেশের শিল্প-কারখানা, মার্কেট ও অন্যান্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিকরা ব্যয়ের কারণে আধুনিক যন্ত্রপাতি স্থাপন করতে চান না। অনেকে স্থাপন করলেও তা সঠিকভাবে পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ করেন না। ফলে দুর্ঘটনায় প্রচুর জানমালের ক্ষতি হয়।
আধুনিক ব্যবস্থা
আমাদের দেশের লোকজন একটু খরচ করে আগুন নেভানোর যন্ত্রপাতি স্থাপন করতে চান না। যদিও একটু খরচ করে হলেও কিছু যন্ত্রপাতি স্থাপন করলে তা যেমন আগুন নেভাতে সক্ষম তেমন বহু মূল্যবান জানমালের নিরাপত্তা বিধানেও কার্যকর। এ ধরনের কিছু যন্ত্রপাতির কথা তুলে ধরা হলো এখানে-
ফায়ার স্প্রিংকলার- স্বয়ংক্রিয়ভাবে পানি ছিটায়
আগুন স্বয়ংক্রিয়ভাবে নেভানোর জন্য এ যন্ত্রটি সারা বিশ্বে ব্যবহৃত হয়। অত্যন্ত কার্যকর এ যন্ত্রটি ব্যবহার করে প্রতি বছর বহু অগ্নিকাণ্ড রোধ করা সম্ভব হচ্ছে। যদিও প্রাথমিক অবস্থায় বিপণী বিতান ও বাণিজ্যিক স্থাপনায় এটি স্থাপন করা একটু ব্যয়সাধ্য। তবে একবার স্থাপন হয়ে গেলে তা অত্যন্ত কার্যকরভাবে আগুন নেভাতে পারে।
কোথাও আগুন লেগে গেলে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলেও রাস্তায় জ্যামসহ নানা কারণে তাদের আসতে সময় রাগে। এরপর পাইপ স্থাপন করে কাজ শুরু করতেও কিছুটা সময় নষ্ট হয়। আর এ সময়ের মধ্যে প্রায়ই আগুন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। কিন্তু স্প্রিংকলার এসব ঝামেলা থেকে দূরে রাখে।

এটি মূলত পানির পাইপের নেটওয়ার্ক ও তার স্থানে স্থানে স্থাপিত স্বয়ংক্রিয় পানি ছেটানোর ব্যবস্থা। স্প্রিংকলারের কাজ পানি ছিটানো। বিভিন্ন বাণিজ্যিক স্থাপনার স্থানে স্থানে স্প্রিংকলার বসানো থাকে। কোথাও আগুন লেগে গেলে এ স্প্রিংকলারগুলোর মুখের সংবেদনশীল অংশটি অবমুক্ত হয়ে যায়। ফলে তা থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পানি ছিটানো শুরু হয়। এতে আগুন নিয়ন্ত্রণে চলে আসে স্বয়ংক্রিয়ভাবেই।
বাংলাদেশের পোশাক শিল্পকারখানার জন্য মার্কিন এবং ইউরোপের দুই ক্রেতা জোট অ্যালায়েন্স এবং অ্যাকর্ডের সংশোধন কর্মপরিকল্পনায় ৭৫ ফিটের উঁচু ভবনের কারখানায় স্প্রিংকলার ব্যবহারের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তবে বাস্তবে উচ্চমূল্যের কারণে স্প্রিংকলার নামে এ সিস্টেম কারখানা মালিকদের কাছে রীতিমতো এক আতঙ্কের নাম। বাংলাদেশে তাই এটির দেখা পাওয়াই ভার। যদিও একবার স্থাপন করে নিলে এর মাধ্যমে জানমাল রক্ষা পাওয়া সহজ হয়ে যায়।
ফায়ার হাইড্রেন্ট- পানি সংকট কাটায়
বাংলাদেশে অগ্নিকাণ্ডের সময় প্রায়ই পানির সংকটের কথা জানা যায়। ফায়ার সার্ভিসের গাড়িতে খুব বেশি পানি থাকে না। কয়েক মিনিটেই এ পানি শেষ হয়ে যায়। আর তাই প্রয়োজন হয় অগ্নিকাণ্ডের কাছাকাছি স্থানে পানির ব্যবস্থা। এক্ষেত্রে উন্নত বিশ্বে ব্যবহৃত হয় ফায়ার হাইড্রেন্ট। এটি মূলত একটি পানির সংরক্ষণাগারের সঙ্গে সংযুক্ত আগুন নেভানোর জন্য পানির ব্যবস্থা। এখানে উচ্চচাপে পানি সংরক্ষিত হয়। ফলে কাছাকাছি কোথাও আগুন লাগলে এ পয়েন্টে পাইপ লাগিয়ে অগ্নি নির্বাপকরা সহজেই আগুন নেভান। বাংলাদেশে এখনও ফায়ার হাইড্রেন্ট স্থাপন শুরু না হলেও এ ব্যবস্থা চালু করা এখন সময়ের দাবি।
আগুন নিয়ন্ত্রণ নয়, প্রতিরোধ করুন
আমাদের দেশের অধিকাংশ বাসাবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আগুন লাগার পর তা কিভাবে নেভানো হবে, সে সম্পর্কে চিন্তাভাবনা করেন। যদিও বিষয়টি নিয়ে চিন্তাভাবনা করা উচিত আগুন লাগার আগেই। কিন্তু বাংলাদেশের পরিস্থিতিতে ফায়ার সার্ভিসের সহায়তা পাওয়া সহজ নয়। কারণ রাস্তায় জ্যাম লেগেই থাকে। এছাড়া রয়েছে বিভিন্ন স্থানের সংকীর্ণ রাস্তাঘাট। ফলে দ্রুত ফায়ার সার্ভিসের পক্ষে ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নেভানো সম্ভব হয় না। বড় বিপণী বিতান বা আবাসনে আগুন লাগলে তা কিছুক্ষণ পর নেভানো অসম্ভব হয়ে পড়ে। তাই আগুন লাগলে তা কিভাবে নেভানো হবে তার একটি পরিকল্পনা আগেই করে রাখতে হবে। এক্ষেত্রে পর্যাপ্ত পানির ব্যবস্থা ও আগুন শনাক্ত ও নেভানোর যন্ত্রপাতি এবং সেগুলো চালানোর মতো প্রশিক্ষিত জনবল থাকা প্রয়োজন।
বিল্ডিং কোড অনুযায়ী ভবন নির্মাণ
বিল্ডিং কোড অনুযায়ী ভবন নির্মাণ করলে অগ্নিকাণ্ডে জানমাল রক্ষা করা সহজ হয়ে যায়। অগ্নি নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করছেন বুয়েটের অধ্যাপক ডক্টর মোহাম্মদ মাকসুদ হেলালী। তিনি বলেন পোশাক কারখানা ছাড়াও বাংলাদেশে অধিকাংশ বহুতল ভবন অগ্নি দুর্ঘটনার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।
যদি বিল্ডিং কোড অনুযায়ী ভবনগুলো সঠিকভাবে বানানো হয় তাহলে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষয়ক্ষতি কম হবে।
অধ্যাপক মাকসুদ হেলালী বলেন, ‘কয়েক বছর আগে জাপান গার্ডেন সিটিতে আগুন লাগে যেখানে আগুন লাগার পর বাড়ীর লোকেরা উপরে উঠে যায়। এটা হওয়ার কথা না। সেখানে ফায়ার এক্সিট থাকার কথা সেটা হয়নি। মানুষের এই সেন্সটাও নাই সুবিধাও নাই। যে কারণে এগুলো মানুষের জীবনের জন্য ঝুকিপূর্ণ হয়ে যাচ্ছে।’
বাংলাদেশে বিল্ডিং তৈরির আইনটা তৈরি হয়েছে ২০০৬ সালে। এই আইনগুলো সম্পর্কে মানুষ জানেনা এবং বিল্ডিং তৈরির ক্ষেত্রে ফায়ারের নিয়মগুলো তারা মেনে চলছে না। বিল্ডিং তৈরির ক্ষেত্রে ফায়ারের জন্য কিছু সুনির্দিষ্ট নিয়ম আছে বিশেষত বহুতল ভবন তৈরির ক্ষেত্রে অনেকগুলো বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থার কথা উল্লেখিত আছে। যেগুলো একেবারেই ওভারলুক করা হচ্ছে, জানান অধ্যাপক হেলালী।
১. ফায়ার এস্কেপ-এর জন্য ভবনের উভয় পার্শ্বে প্রশস্ত সিঁড়ি থাকা প্রয়োজন, যেন অগ্নি দুর্ঘটনায় দ্রুত বের হওয়া যায়।
২. পর্যাপ্ত সংখ্যক ফায়ার এক্সটিংগুইসার থাকা প্রয়োজন, যেন প্রাথমিক অবস্থাতেই দ্রুত আগুন নিভিয়ে ফেলা যায়।
৩. ফায়ার হাইড্রেন্ট বা স্প্রিংকলার স্প্রে সিস্টেম থাকা প্রয়োজন, যেন বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ডও সহজে নির্বাপণ করা যায়।
৪. ফায়ার পাম্প ও জকি পাম্প থাকা প্রয়োজন যেন ফায়ার হাইড্রেন্ট-এ পর্যাপ্ত পানি সরবরাহ নিশ্চিত করা যায়।
৫. ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি প্রবেশের জন্য প্রশস্ত রাস্তা থাকা প্রয়োজন, যেন ফায়ার সার্ভিসের লোকজন অগ্নি নির্বাপণে সহায়তা করতে পারেন।
৬. ভবনের ফোরগুলোতে নির্গমন পথ প্রদর্শক চিহ্ন থাকা প্রয়োজন, যেন অন্ধকারেও নির্গমন পথ চেনা যায়।
৭. ভবনের নক্সা প্রবেশ পথে রাখা প্রয়োজন, যেন নবাগতরা আগমন-নির্গমন পথের অবস্থান বুঝতে পারেন।
৮. ফায়ার লিফট থাকা প্রয়োজন, যেন অগ্নি দুর্ঘটনার সময় উদ্ধার কাজ পরিচালনা করা যায়।
৯. ফায়ার রিফিউজ এরিয়া থাকা প্রয়োজন, যেন অগ্নি দুর্ঘটনার সময় কাছাকাছি অবস্থানে নিরাপদ আশ্রয় নেয়া যায়।
১০. অটো ফায়ার ডিটেকশন সিস্টেম থাকা প্রয়োজন, যেন দুর্ঘটনার বিষয় স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্ণীত হয়।
১১. অটো ফায়ার এলার্মিং সিস্টেম থাকা প্রয়োজন, অগ্নি দুর্ঘটনার বিষয় স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্ণীত হওয়ার পর যেন স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিপদ সংকেত বাজতে থাকে।
কিছু সতর্কতা সর্বদা মেনে চলুন
এক সাক্ষাৎকারে ফায়ার সার্ভিসের অপারেশন্স এন্ড মেইনটেন্যান্স বিভাগের পরিচালক মেজর এ কে এম শাকিল নেওয়াজ বলেন, বাংলাদেশে বহুতল আবাসিক ও বাণিজ্যিক ভবন, ফ্যাক্টরি সবক্ষেত্রেই আগুন মোকাবেলায় পূর্ব প্রস্তুতি এবং তড়িৎ পদক্ষেপের ঘাটতি দেখা যায়।
বাংলাদেশের বিভিন্ন বাণিজ্যিক স্থাপনায় স্থাপিত অগ্নি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা “দেখা যায় নামে মাত্র টিম রয়েছে যাদের কোনো প্রফেশনাল ট্রেনিং নাই, ইক্যুইপমেন্ট নাই, পারসোনাল প্রটেকশন গিয়ার নাই। অনেক বিল্ডিংয়ে ফায়ার ইক্যুইপমেন্ট লাগানো হয়েছে কিন্তু ঠিকভাবে মেইনটেনেন্স করা হচ্ছেন না। আবার লোকজন জানেও না কিভাবে এটা ব্যবহার করতে হবে” বলেন মেজর শাকিল নেওয়াজ।
অনাকাঙ্খিত দূঘটনা থেকে বাঁচার জন্য কিছু নির্দেশনা-
–অগ্নি প্রতিরোধে সচেতন হোন।
–রান্নার পর চুলার আগুন সম্পূর্ণ নিভিয়ে ফেলুন।
–বিড়ি-সিগারেটের জলন্ত অংশ নিভিয়ে নিরাপদ স্থানে ফেলুন।
–ছোট ছেলেমেয়েদের আগুন নিয়ে খেলা থেকে বিরত রাখুন।
–খোলা বাতির ব্যবহার কমিয়ে দিন।
–ক্রটিযুক্ত বা নিম্নমানের বৈদ্যুতিক তার, ফিটিংস ও সরঞ্জাম ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।
–বাসায়, অফিসে বৈদুতিক তার ও ওয়ারিং মাঝে মাঝে অভিজ্ঞ ইলেকট্রিশিয়ান দ্বারা পরীক্ষা করাতে হবে।
–সম্ভাব্য অগ্নিকান্ড মোকাবেলায় হাতের কাছে সব সময় দু’বালতি পানি বা বালু মজুদ রাখুন।
–বাসগৃহ, কলকারখানা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অগ্নি নির্বাপনী যন্ত্রপাতি স্থাপন করুন এবং মাঝে মাঝে সেগুলির কার্যকারিতা পরীক্ষা করুন।
–প্রতিটি শিল্পকারখানায়, সরকারী ও বেসরকারী ভবনে অগ্নি প্রতিরোধ ও নির্বাপন আইন ও বিধি অনুযায়ী অগ্নিপ্রতিরোধ ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করুন।
–কলকারখানায় অগ্নি নির্বাপণের জন্য পর্যাপ্ত পানির ব্যবস্থা রাখুন।
–গুদাম বা কারখানায় ধুমপান নিষিদ্ধ করুন ও দৃশ্যমান স্থানে সতর্কীকরণ পোষ্টার প্রদর্শনের ব্যবস্থা নিন।
–ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স হতে অগ্নি প্রতিরোধ ও নির্বাপন বিষয়ক মৌলিক প্রশিক্ষণ গ্রহন করুন।
–স্থানীয়ভাবে অগ্নি প্রতিরোধ ও নির্বাপনের লক্ষ্যে স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী গড়ে তুলুন।
–যে সকল কারণে অগ্নিকান্ডের সৃষ্টি হয় সে সব কারণ থেকে সাবধানতা অবলম্বন করুন।
–আগুন লাগলে ফায়ার সার্ভিসের সেবা চাইতে ৯৯৯ নম্বরে কল করুন। নম্বরটি প্রয়োজনীয় সব স্থানে লিখে রাখুন। শুধু অগ্নিকাণ্ড নয়, ফায়ার সার্ভিস আরো নানা ধরনের সেবা প্রদান করে থাকে। যেমন সড়ক দুর্ঘটনা, নৌ দুর্ঘটনা, আটকে পড়া মানুষ বা পশু-পাখি উদ্ধার ইত্যাদি।
সূত্র : ন্যাশনাল হেল্প ডেস্ক, বিবিসি ও উইকিপিডিয়া।